
বিডিজেন ডেস্ক

তাহসান–রোজার বিয়ে নিয়ে আলোচনা এখনো তুঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই এ উন্মাদনার প্রমাণ মিলছে। গায়ক তাহসান ও তার নতুন জীবনসঙ্গী রোজা আহমেদের বিয়ের ছবি ঘুরছে হাজারো পোস্টে। শুভ কামনার বন্যার সঙ্গে চলছে নানা কৌতূহল। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন—হানিমুনে (মধুচন্দ্রিমা) কোথায় যাচ্ছেন তাহসান-রোজা দম্পতি।
তাহসান-ভক্তদের জন্য এক্সক্লুসিভ খবর হলো, আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকালে হানিমুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তাহসান ও রোজা। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে দেশের একটি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে তাঁরা রওনা হন মালদ্বীপের উদ্দেশে। ৩-৪ দিন সূর্যময় দ্বীপরাজ্যেই কাটবে তাঁদের মধুচন্দ্রিমার বিশেষ মুহূর্তগুলো।
এই সময়ের জনপ্রিয় গায়ক তাহসান শুধু বিয়ে নিয়েই ব্যস্ত নন, সমানতালে সামলাচ্ছেন নিজের সৃজনশীল কাজও। বিয়ের ২ দিনের মাথায় নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ‘একা ঘর আমার’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন নিজেই। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটি প্রকাশ করেছে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় এই গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাহসান। হলুদ পাঞ্জাবিতে সজ্জিত তাহসানের ডান হাতের তালুতে দেখা গেল মেহেদির ‘আর’ অক্ষর—তাঁর স্ত্রী রোজার নামের প্রথম অক্ষর।

গানের বিষয়ে তাহসান বলেন, ‘গানটা স্যাড ব্যালাড জনরার। প্রেমের এমন এক অনুভূতির কথা তুলে ধরেছি, যেখানে ভালোবাসা আর কষ্ট মিশে আছে। ভালোবাসার মানুষ থেকে কষ্ট পাওয়ার পরও তাকে ভালোবাসতে থাকা—এমন অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকের হয়েছে। সেই অনুভূতি থেকেই গানটা লেখা। ... প্রেমের কোন অংশটা নিয়ে গান লেখা হয়নি, সে রকম একটা অংশ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি এ গানে। যখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষের প্রেমে পড়ে যায়, তখন অনেক প্রত্যাশা থাকে। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কষ্ট আসে। কিন্তু এমনও তো হয়, আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার দেওয়া কষ্টটা আপনি পুষে রাখছেন। কষ্টে চুরমার হয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু সেই ভালোবাসা থেকে মুখ ফেরাতে পারছেন না। একটা মানুষকে ভালোও বাসি, একই সঙ্গে ঘৃণাও করি—এ রকম একটা অনুভূতি থেকে গানটা লেখা।’
বিয়ে, নতুন গান এবং এখন হানিমুন—সব মিলিয়ে তাহসানের জীবন যেন এক রঙিন অধ্যায়। তাঁর ভক্তরা অপেক্ষায় আছেন আরও নতুন গল্প, নতুন গানের। তবে আপাতত মালদ্বীপেই তাহসান-রোজার সুখের মুহূর্তের জন্য রইল অসংখ্য ভক্তের শুভ কামনা।
আরও পড়ুন

তাহসান–রোজার বিয়ে নিয়ে আলোচনা এখনো তুঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই এ উন্মাদনার প্রমাণ মিলছে। গায়ক তাহসান ও তার নতুন জীবনসঙ্গী রোজা আহমেদের বিয়ের ছবি ঘুরছে হাজারো পোস্টে। শুভ কামনার বন্যার সঙ্গে চলছে নানা কৌতূহল। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন—হানিমুনে (মধুচন্দ্রিমা) কোথায় যাচ্ছেন তাহসান-রোজা দম্পতি।
তাহসান-ভক্তদের জন্য এক্সক্লুসিভ খবর হলো, আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকালে হানিমুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তাহসান ও রোজা। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে দেশের একটি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে তাঁরা রওনা হন মালদ্বীপের উদ্দেশে। ৩-৪ দিন সূর্যময় দ্বীপরাজ্যেই কাটবে তাঁদের মধুচন্দ্রিমার বিশেষ মুহূর্তগুলো।
এই সময়ের জনপ্রিয় গায়ক তাহসান শুধু বিয়ে নিয়েই ব্যস্ত নন, সমানতালে সামলাচ্ছেন নিজের সৃজনশীল কাজও। বিয়ের ২ দিনের মাথায় নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ‘একা ঘর আমার’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন নিজেই। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটি প্রকাশ করেছে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় এই গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাহসান। হলুদ পাঞ্জাবিতে সজ্জিত তাহসানের ডান হাতের তালুতে দেখা গেল মেহেদির ‘আর’ অক্ষর—তাঁর স্ত্রী রোজার নামের প্রথম অক্ষর।

গানের বিষয়ে তাহসান বলেন, ‘গানটা স্যাড ব্যালাড জনরার। প্রেমের এমন এক অনুভূতির কথা তুলে ধরেছি, যেখানে ভালোবাসা আর কষ্ট মিশে আছে। ভালোবাসার মানুষ থেকে কষ্ট পাওয়ার পরও তাকে ভালোবাসতে থাকা—এমন অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকের হয়েছে। সেই অনুভূতি থেকেই গানটা লেখা। ... প্রেমের কোন অংশটা নিয়ে গান লেখা হয়নি, সে রকম একটা অংশ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি এ গানে। যখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষের প্রেমে পড়ে যায়, তখন অনেক প্রত্যাশা থাকে। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কষ্ট আসে। কিন্তু এমনও তো হয়, আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার দেওয়া কষ্টটা আপনি পুষে রাখছেন। কষ্টে চুরমার হয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু সেই ভালোবাসা থেকে মুখ ফেরাতে পারছেন না। একটা মানুষকে ভালোও বাসি, একই সঙ্গে ঘৃণাও করি—এ রকম একটা অনুভূতি থেকে গানটা লেখা।’
বিয়ে, নতুন গান এবং এখন হানিমুন—সব মিলিয়ে তাহসানের জীবন যেন এক রঙিন অধ্যায়। তাঁর ভক্তরা অপেক্ষায় আছেন আরও নতুন গল্প, নতুন গানের। তবে আপাতত মালদ্বীপেই তাহসান-রোজার সুখের মুহূর্তের জন্য রইল অসংখ্য ভক্তের শুভ কামনা।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”