
বিডিজেন ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সফরে আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ২০১২ সালের পর এটি হতে চলেছে কোনো পাকিস্তানি মন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা আসবেন বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন দার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসও পাকিস্তান সফরের জন্য ইসলামাবাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশকে ‘ভাতৃপ্রতিম দেশ’ উল্লেখ করে দার বলেন, ঢাকাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে পাকিস্তান।
শেখ হাসিনার শাসনামলে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক তিক্ত ছিল জানিয়ে খবরে বলা হয়, গত ১৫ বছরে পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগ প্রধানের ভারতের সঙ্গে সখ্যতা থাকায় শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।
তবে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতেনের পর থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে একাধিকবার যোগাযোগও হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পাকিস্তানের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে সমুদ্রপথে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু করেছে ইসলামাবাদ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্বশেষ ২০১২ সালে ঢাকা সফরে আসেন হিনা রাব্বানি খার। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা আসেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সফরে আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ২০১২ সালের পর এটি হতে চলেছে কোনো পাকিস্তানি মন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা আসবেন বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন দার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসও পাকিস্তান সফরের জন্য ইসলামাবাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশকে ‘ভাতৃপ্রতিম দেশ’ উল্লেখ করে দার বলেন, ঢাকাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে পাকিস্তান।
শেখ হাসিনার শাসনামলে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক তিক্ত ছিল জানিয়ে খবরে বলা হয়, গত ১৫ বছরে পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগ প্রধানের ভারতের সঙ্গে সখ্যতা থাকায় শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।
তবে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতেনের পর থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে একাধিকবার যোগাযোগও হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পাকিস্তানের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে সমুদ্রপথে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু করেছে ইসলামাবাদ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্বশেষ ২০১২ সালে ঢাকা সফরে আসেন হিনা রাব্বানি খার। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা আসেন তিনি।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”