

বিডিজেন ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করে দারুণ এক প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে টি-টোয়েন্টি নিজেদের অর্জনের মুকুটে যোগ হয়েছে নতুন পালক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লিটন দাসের দল। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে ৭ ও ২৭ রানে জয় পায় টাইগাররা।
বাংলাদেশের ১৮৯ রান তাড়া করতে গিয়ে ১৬.৪ ওভারে ১০৯ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাসকিনের বলে ম্যাকয় বোল্ড হলে শেষ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উল্লাসে মেতে ওঠেন লিটন-হাসানরা। গ্যালারিতে জাকেরকে জড়িয়ে ধরেন সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেই শোধটা তুলে নিল লিটনের দল।

২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রতিপক্ষকে তাদের মাঠে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ভারত, পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডের পর চতুর্থ দল হিসেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাই করল বাংলাদেশ।
আজ ব্যাটিংয়ে ৪১ বলে অপরাজিত ৭২ রানের অসাধারণ ইনিংসে শুরুটা করেছিলেন জাকের আলী। পরে বোলিংয়ে স্রেফ চোখ ধাঁধিয়েছেন প্রায় সবাই। ২১ রানে ৩ উইকেট রিশাদের। ১৩ রানে ২ উইকেট মেহেদীর, ৩০রানে ২ উইকেট তাসকিনের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন শেফার্ড।
বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বলেছেন, ‘টেস্ট ও ওয়ানডেতেও (সিরিজ) আমরা ভালো করেছি। দূর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা জিততে পারিনি কিন্তু ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তাই সব সিরিজেই ভালো খেলার আত্মবিশ্বাসটা ছিল। সবাইকে সব সময় বলেছি, চাপ না নিতে। খেলাটা উপভোগ করতে বলেছি। কারণ আমাদের খুব ভালো বোলিং ও ব্যাটিং আছে। ভালো স্কোর করলে, আমরা জানি যে কোনো স্কোরই ডিফেন্ড করতে পারব।’
বোলারদের প্রশংসা করে লিটন বলেছেন, ‘উইকেট ব্যাট করার জন্য বেশ ভালো ছিল। বোলাররা যেভাবে নিজেদের জাতটা দেখিয়েছে সেটা অসাধারণ। বোলিং বিভাগের জন্য এটা বড় অর্জন।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৮৯/৭ (জাকের ৭২*, পারভেজ ৩৯, মিরাজ ২৯, তানজিম ১৭, লিটন ১৪; শেফার্ড ২/৩০, চেজ ১/১৫, মোতি ১/৩০)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৬.৪ ওভারে ১০৯ (শেফার্ড ৩৩, চার্লস ২৩, পুরান ১৫, মোতি ১২; রিশাদ ৩/২১, মেহেদী ২/১৩, তাসকিন ২/৩০, তানজিম ১/৩১, হাসান ১/৯)
ফল: বাংলাদেশ ৮০ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: জাকের আলী (বাংলাদেশ)
সিরিজসেরা: মেহেদী হাসান (বাংলাদেশ)
সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করে দারুণ এক প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে টি-টোয়েন্টি নিজেদের অর্জনের মুকুটে যোগ হয়েছে নতুন পালক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লিটন দাসের দল। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে ৭ ও ২৭ রানে জয় পায় টাইগাররা।
বাংলাদেশের ১৮৯ রান তাড়া করতে গিয়ে ১৬.৪ ওভারে ১০৯ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাসকিনের বলে ম্যাকয় বোল্ড হলে শেষ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উল্লাসে মেতে ওঠেন লিটন-হাসানরা। গ্যালারিতে জাকেরকে জড়িয়ে ধরেন সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। টেস্ট সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সেই শোধটা তুলে নিল লিটনের দল।

২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রতিপক্ষকে তাদের মাঠে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ভারত, পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডের পর চতুর্থ দল হিসেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাই করল বাংলাদেশ।
আজ ব্যাটিংয়ে ৪১ বলে অপরাজিত ৭২ রানের অসাধারণ ইনিংসে শুরুটা করেছিলেন জাকের আলী। পরে বোলিংয়ে স্রেফ চোখ ধাঁধিয়েছেন প্রায় সবাই। ২১ রানে ৩ উইকেট রিশাদের। ১৩ রানে ২ উইকেট মেহেদীর, ৩০রানে ২ উইকেট তাসকিনের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন শেফার্ড।
বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বলেছেন, ‘টেস্ট ও ওয়ানডেতেও (সিরিজ) আমরা ভালো করেছি। দূর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা জিততে পারিনি কিন্তু ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তাই সব সিরিজেই ভালো খেলার আত্মবিশ্বাসটা ছিল। সবাইকে সব সময় বলেছি, চাপ না নিতে। খেলাটা উপভোগ করতে বলেছি। কারণ আমাদের খুব ভালো বোলিং ও ব্যাটিং আছে। ভালো স্কোর করলে, আমরা জানি যে কোনো স্কোরই ডিফেন্ড করতে পারব।’
বোলারদের প্রশংসা করে লিটন বলেছেন, ‘উইকেট ব্যাট করার জন্য বেশ ভালো ছিল। বোলাররা যেভাবে নিজেদের জাতটা দেখিয়েছে সেটা অসাধারণ। বোলিং বিভাগের জন্য এটা বড় অর্জন।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৮৯/৭ (জাকের ৭২*, পারভেজ ৩৯, মিরাজ ২৯, তানজিম ১৭, লিটন ১৪; শেফার্ড ২/৩০, চেজ ১/১৫, মোতি ১/৩০)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৬.৪ ওভারে ১০৯ (শেফার্ড ৩৩, চার্লস ২৩, পুরান ১৫, মোতি ১২; রিশাদ ৩/২১, মেহেদী ২/১৩, তাসকিন ২/৩০, তানজিম ১/৩১, হাসান ১/৯)
ফল: বাংলাদেশ ৮০ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: জাকের আলী (বাংলাদেশ)
সিরিজসেরা: মেহেদী হাসান (বাংলাদেশ)
সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ।
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।