
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে চলমান সংঘাতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
২১ অক্টোবর প্রথম ধাপে আহত, নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫০ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা। সৌদি আরবের জেদ্দা হয়ে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে তাদের।
এরইমধ্যে দেশে ফেরার আগ্রহ জানিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তালিকাভুক্ত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি।
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে যৌথভাবে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লেবানন থেকে যেসব বাংলাদেশি দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন, প্রবাসীকল্যাণ সচিব রুহুল আমিন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. সাফিউর রহমান একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশন প্রধানেরা জুম প্ল্যাটফর্মে এ সভায় যোগ দেন।
লেবাননে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন পররাষ্ট্র সচিব।
যারা ফিরতে চান না তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দেন তিনি।
এর আগে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের তালিকাভুক্তির জন্য দূতাবাস থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে প্রায় এক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ফিরে আসার ইচ্ছা জানায়।
এ ছাড়াও, নিরাপদ আশ্রয় নিতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের অনতিবিলম্বে দূতাবাসের হেল্পলাইন ও হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান বৈরুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান।
ফ্রন্ট ডেস্ক নম্বর ৭১২১৭১৩৯, হটলাইন নম্বর ৭০৬৩৫২৭৮ ও হেল্পলাইন নম্বর ৮১৭৪৪২০৭।
ইমেইল নম্বর: [email protected]।

লেবাননে চলমান সংঘাতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
২১ অক্টোবর প্রথম ধাপে আহত, নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫০ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা। সৌদি আরবের জেদ্দা হয়ে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে তাদের।
এরইমধ্যে দেশে ফেরার আগ্রহ জানিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তালিকাভুক্ত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি।
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে যৌথভাবে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লেবানন থেকে যেসব বাংলাদেশি দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন, প্রবাসীকল্যাণ সচিব রুহুল আমিন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. সাফিউর রহমান একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশন প্রধানেরা জুম প্ল্যাটফর্মে এ সভায় যোগ দেন।
লেবাননে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন পররাষ্ট্র সচিব।
যারা ফিরতে চান না তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দেন তিনি।
এর আগে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের তালিকাভুক্তির জন্য দূতাবাস থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে প্রায় এক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ফিরে আসার ইচ্ছা জানায়।
এ ছাড়াও, নিরাপদ আশ্রয় নিতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের অনতিবিলম্বে দূতাবাসের হেল্পলাইন ও হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান বৈরুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান।
ফ্রন্ট ডেস্ক নম্বর ৭১২১৭১৩৯, হটলাইন নম্বর ৭০৬৩৫২৭৮ ও হেল্পলাইন নম্বর ৮১৭৪৪২০৭।
ইমেইল নম্বর: [email protected]।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।