
বিডিজেন ডেস্ক

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের এক সংরক্ষিত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে ঈদগাঁ আমিন বাজার বরপাড়া গ্রামের মিঝিবাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার এই অভিযোগ করে। পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল মালেক অভিযোগ করেন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তার তাদের প্রতিবেশী। পূর্ববিরোধের জেরে নার্গিস মেম্বার তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দায়ের করেন।
তিনি বলেন, ‘আদালতে নার্গিসের দায়ের করা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পর থেকে তিনি (নার্গিস) আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিগত সরকারের আমলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নেতাদের ব্যবহার করে তিনি আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। সরকারের পট পরিবর্তনের পরও নার্গিসের প্রভাব কমেনি। কয়েক দফায় তিনি আমাদের ওপর হামলাও চালিয়েছেন।’
আব্দুল মালেক অভিযোগ করে আরও বলেন, সবশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর নার্গিস তাদের বাড়ির চলাচলের রাস্তা কেটে দেন। এতে বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নার্গিস মেম্বার ও তাঁর ছেলে হেলাল উদ্দিনের (৩৩) নেতৃত্বে একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী তাঁদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরের শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় আব্দুল মালেক সোনাইমুড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান।
ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার সংবাদ সম্মেলন থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তার ও তার ছেলে হেলাল উদ্দিনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আমিশাপাড়া ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রবাসী পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, ‘দুর্গাপূজার কারণে পুলিশের ব্যস্ততা রয়েছে। তবে প্রবাসী পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের এক সংরক্ষিত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে ঈদগাঁ আমিন বাজার বরপাড়া গ্রামের মিঝিবাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার এই অভিযোগ করে। পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল মালেক অভিযোগ করেন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তার তাদের প্রতিবেশী। পূর্ববিরোধের জেরে নার্গিস মেম্বার তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দায়ের করেন।
তিনি বলেন, ‘আদালতে নার্গিসের দায়ের করা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পর থেকে তিনি (নার্গিস) আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিগত সরকারের আমলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নেতাদের ব্যবহার করে তিনি আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। সরকারের পট পরিবর্তনের পরও নার্গিসের প্রভাব কমেনি। কয়েক দফায় তিনি আমাদের ওপর হামলাও চালিয়েছেন।’
আব্দুল মালেক অভিযোগ করে আরও বলেন, সবশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর নার্গিস তাদের বাড়ির চলাচলের রাস্তা কেটে দেন। এতে বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নার্গিস মেম্বার ও তাঁর ছেলে হেলাল উদ্দিনের (৩৩) নেতৃত্বে একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী তাঁদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরের শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় আব্দুল মালেক সোনাইমুড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান।
ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার সংবাদ সম্মেলন থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তার ও তার ছেলে হেলাল উদ্দিনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আমিশাপাড়া ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য নার্গিস আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রবাসী পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, ‘দুর্গাপূজার কারণে পুলিশের ব্যস্ততা রয়েছে। তবে প্রবাসী পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।