
বিডিজেন ডেস্ক

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে মো. শফিউল্লাহ (১৮) নামের এক তরুণকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই তরুণের মৃত্যু হয়।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সদরের দক্ষিণ ব্রাহ্মণপাড়া খানকা শরীফের পাশে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাত করা হয়। নিহত শফিউল্লাহ ওই এলাকার ডাব বিক্রেতা এরশাদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে এরশাদ মিয়ার ছোট ছেলে সানাউল্লাহর সঙ্গে একই এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে হৃদয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সানাউল্লাহকে চড়থাপ্পড় মারে হৃদয়। এ নিয়ে সানাউল্লাহর বড় ভাই সফিউল্লাহ কয়েকজনকে নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে যান। তখন হৃদয়ের নেতৃত্বে অন্তত ৮ জন শফিউল্লাহকে ছুরিকাঘাত করে। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন শফিউল্লাহকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানকার চিকিৎসক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শফিউল্লাহর মৃত্যু হয়।
নিহত সফিউল্লাহর বাবা এরশাদ মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলেকে যারা খুন করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। আমার নিরীহ ছেলেটাকে তারা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা করল। এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব?’
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া বলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: প্রথম আলো

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে মো. শফিউল্লাহ (১৮) নামের এক তরুণকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই তরুণের মৃত্যু হয়।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সদরের দক্ষিণ ব্রাহ্মণপাড়া খানকা শরীফের পাশে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাত করা হয়। নিহত শফিউল্লাহ ওই এলাকার ডাব বিক্রেতা এরশাদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে এরশাদ মিয়ার ছোট ছেলে সানাউল্লাহর সঙ্গে একই এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে হৃদয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সানাউল্লাহকে চড়থাপ্পড় মারে হৃদয়। এ নিয়ে সানাউল্লাহর বড় ভাই সফিউল্লাহ কয়েকজনকে নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে যান। তখন হৃদয়ের নেতৃত্বে অন্তত ৮ জন শফিউল্লাহকে ছুরিকাঘাত করে। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন শফিউল্লাহকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানকার চিকিৎসক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শফিউল্লাহর মৃত্যু হয়।
নিহত সফিউল্লাহর বাবা এরশাদ মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলেকে যারা খুন করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। আমার নিরীহ ছেলেটাকে তারা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা করল। এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব?’
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া বলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।