
প্রতিবেদক, বিডিজেন

যথাসময়ে নির্বাচনের তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, ‘এটা আপনারা যথাসময়ে জানতে পারবেন। আমরা যথাসময়ে শিডিউল ঘোষণা করব, তখন জানতে পারবেন।’
আজ শনিবার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনী আইন ও বিধি–সংক্রান্ত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।
এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এখানে আমরা লুকিয়ে কোনো কাজ করছি না। এটা আমাদের একটা পরিকল্পনা, অনেকে এটাকে রোডম্যাপ বলে, আমি রোডম্যাপ বলছি না, সেটা (কর্মপরিকল্পনা) অবশ্যই আছে।’
নির্বাচনের পরিকল্পনা সম্পর্কে নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এত বড় একটা নির্বাচন, অবশ্যই তার একটা পরিকল্পনা আছে। এটা আমাদের নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা, এটা সংশোধনযোগ্য; যদি কোনো টাইম নিশ্চিত না হয়, তাহলে দু-চার দিন এদিক-সেদিক হতে পারে।’
সরকারের সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন নাসির উদ্দীন। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশাসনের সাহায্য নিয়েই নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। সে জন্য প্রতিনিয়ত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্বাভাবিকভাবেই সরকার এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘এই সহায়তা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব না।’
‘একটা নির্বাচন করতে গেলে যতই স্বাধীন বলেন না কেন, সরকার ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কারণ সরকারের সহযোগিতা নিয়েই আমাকে নির্বাচনটা করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়নের চেষ্টা হচ্ছে। বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি করছি। বিভিন্ন জনের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করা হবে।’
নির্বাচন পরিচালনায় প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন, তাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য কিছু এলে সেটা আমরা গ্রহণ করব।’
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিস্তৃত করতে আঞ্চলিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা জানান সিইসি। ইসি সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমেদ।

যথাসময়ে নির্বাচনের তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, ‘এটা আপনারা যথাসময়ে জানতে পারবেন। আমরা যথাসময়ে শিডিউল ঘোষণা করব, তখন জানতে পারবেন।’
আজ শনিবার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনী আইন ও বিধি–সংক্রান্ত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।
এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এখানে আমরা লুকিয়ে কোনো কাজ করছি না। এটা আমাদের একটা পরিকল্পনা, অনেকে এটাকে রোডম্যাপ বলে, আমি রোডম্যাপ বলছি না, সেটা (কর্মপরিকল্পনা) অবশ্যই আছে।’
নির্বাচনের পরিকল্পনা সম্পর্কে নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এত বড় একটা নির্বাচন, অবশ্যই তার একটা পরিকল্পনা আছে। এটা আমাদের নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা, এটা সংশোধনযোগ্য; যদি কোনো টাইম নিশ্চিত না হয়, তাহলে দু-চার দিন এদিক-সেদিক হতে পারে।’
সরকারের সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন নাসির উদ্দীন। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশাসনের সাহায্য নিয়েই নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। সে জন্য প্রতিনিয়ত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্বাভাবিকভাবেই সরকার এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘এই সহায়তা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব না।’
‘একটা নির্বাচন করতে গেলে যতই স্বাধীন বলেন না কেন, সরকার ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কারণ সরকারের সহযোগিতা নিয়েই আমাকে নির্বাচনটা করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়নের চেষ্টা হচ্ছে। বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি করছি। বিভিন্ন জনের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করা হবে।’
নির্বাচন পরিচালনায় প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন, তাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য কিছু এলে সেটা আমরা গ্রহণ করব।’
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিস্তৃত করতে আঞ্চলিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা জানান সিইসি। ইসি সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমেদ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।