
বিডিজেন ডেস্ক

বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি ও ভ্রমণ–সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আগামী সোমবার থেকে চট্টগ্রাম রুটে আরও একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নভোএয়ার।
নভোএয়ার বর্তমানে প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম দেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও পর্যটনকেন্দ্র। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং ভ্রমণ–সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এই রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নভোএয়ার বর্তমানে চট্টগ্রামের পাশাপাশি প্রতিদিন কক্সবাজার, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি ও ভ্রমণ–সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আগামী সোমবার থেকে চট্টগ্রাম রুটে আরও একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নভোএয়ার।
নভোএয়ার বর্তমানে প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম দেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও পর্যটনকেন্দ্র। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং ভ্রমণ–সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এই রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নভোএয়ার বর্তমানে চট্টগ্রামের পাশাপাশি প্রতিদিন কক্সবাজার, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।