
বিডিজেন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে দেওয়া আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি উত্তর আন্দামান সাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন মঙ্গলবার লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। তবে এর লক্ষ্যস্থল বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, লঘুচাপটি মঙ্গলবার নিম্নচাপে পরিণত এবং এর প্রভাব বুধবার থেকে অনুভূত হতে পারে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এর প্রভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
নিম্নচাপটির ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা আছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পরই এর গতিপ্রকৃতি বোঝা যাবে। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু ধারণা করা হচ্ছে, তাতে এর সম্ভাব্য অতিক্রমস্থল হতে পারে ভারতের ওডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের উপকূল। তবে এখনই নিশ্চিত করে বলাটা দুরূহ যে এটি বাংলাদেশের দিকেও আসবে না। আগামীকাল নিম্নচাপ সৃষ্টির পরই আসলে এ বিষয়ে একটা ধারণা করা যেতে পারে।’

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে দেওয়া আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি উত্তর আন্দামান সাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন মঙ্গলবার লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। তবে এর লক্ষ্যস্থল বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, লঘুচাপটি মঙ্গলবার নিম্নচাপে পরিণত এবং এর প্রভাব বুধবার থেকে অনুভূত হতে পারে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এর প্রভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
নিম্নচাপটির ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা আছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পরই এর গতিপ্রকৃতি বোঝা যাবে। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু ধারণা করা হচ্ছে, তাতে এর সম্ভাব্য অতিক্রমস্থল হতে পারে ভারতের ওডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের উপকূল। তবে এখনই নিশ্চিত করে বলাটা দুরূহ যে এটি বাংলাদেশের দিকেও আসবে না। আগামীকাল নিম্নচাপ সৃষ্টির পরই আসলে এ বিষয়ে একটা ধারণা করা যেতে পারে।’
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।