
বিডিজেন ডেস্ক

ইতালির উপকূলে রাবারের ডিঙ্গি নৌকা উল্টে ৬ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার ভূমধ্যসাগরের ইতালীয় দ্বীপ ল্যাম্পিওনের উপকূলে এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। নৌকাটির ১০ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছে ইতালির কোস্টগার্ড।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বলছে, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী যাত্রী উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার এসফ্যাক্স শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নৌকা আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করে এবং সাগরের উত্তাল অবস্থার মুখে পড়ে। নৌকা যত এগোতে থাকে, একের পর এক ঢেউয়ের আঘাতে সেখানে থাকা যাত্রীরা নৌকা থেকে পড়ে সাগরে ডুবে যেতে থাকেন।
যাত্রীরা জানান, এভাবে ল্যাম্পিওনে দ্বীপের কাছাকাছি আসার পর নৌকাটি পুরোপুরি উল্টে যায়। সে সময় সেখানে মাত্র ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। জীবিত যে ১০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী।
এসফ্যাক্স শহরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত রোববার যখন উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকাটি, সে সময় সেখানে মোট ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন।
উদ্ধার জীবিত যাত্রীদের সবাইকে ল্যাম্পিওনে দ্বীপের অভিবাসী শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির কোস্টগার্ড।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে আফ্রিকার দুই দেশ লিবিয়া ও তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে নিয়মিত নৌকাযোগে ইতালির উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। সাগরপথটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপদসঙ্কুল হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে সেখানে।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত সাগরপথে ৮ হাজার ৭৪৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালিতে পৌঁছেছেন। আর সাগরে সলিল সমাধি ঘটেছে কমপক্ষে ১৪০ জনের।

ইতালির উপকূলে রাবারের ডিঙ্গি নৌকা উল্টে ৬ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার ভূমধ্যসাগরের ইতালীয় দ্বীপ ল্যাম্পিওনের উপকূলে এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। নৌকাটির ১০ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছে ইতালির কোস্টগার্ড।
সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বলছে, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী যাত্রী উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার এসফ্যাক্স শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নৌকা আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করে এবং সাগরের উত্তাল অবস্থার মুখে পড়ে। নৌকা যত এগোতে থাকে, একের পর এক ঢেউয়ের আঘাতে সেখানে থাকা যাত্রীরা নৌকা থেকে পড়ে সাগরে ডুবে যেতে থাকেন।
যাত্রীরা জানান, এভাবে ল্যাম্পিওনে দ্বীপের কাছাকাছি আসার পর নৌকাটি পুরোপুরি উল্টে যায়। সে সময় সেখানে মাত্র ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। জীবিত যে ১০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী।
এসফ্যাক্স শহরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত রোববার যখন উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকাটি, সে সময় সেখানে মোট ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন।
উদ্ধার জীবিত যাত্রীদের সবাইকে ল্যাম্পিওনে দ্বীপের অভিবাসী শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির কোস্টগার্ড।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে আফ্রিকার দুই দেশ লিবিয়া ও তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে নিয়মিত নৌকাযোগে ইতালির উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। সাগরপথটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপদসঙ্কুল হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে সেখানে।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত সাগরপথে ৮ হাজার ৭৪৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালিতে পৌঁছেছেন। আর সাগরে সলিল সমাধি ঘটেছে কমপক্ষে ১৪০ জনের।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।