
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার টুকেরবাজার এলাকায় মাইক দিয়ে লোক জড়ো করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ৩ গ্রামের বাসিন্দারা। এ সময় দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১২ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
খবর প্রথম আলোর।
এ ছাড়া, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি যানবাহন।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জের টুকেরবাজারের বউ বাজার এলাকায় থেমে থেমে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ঘটনাস্থলে কোম্পানীগঞ্জ থানা–পুলিশ উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জানুয়ারি বিকেলে কোম্পানীগঞ্জের টুকেরবাজার এলাকার বউ বাজারে মাছ বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিম টুকেরগাঁও ও নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সোমবারও (২০ জানুয়ারি) দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। মাছের দরদাম নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ইসলামপুর, পশ্চিম টুকেরগাঁও এবং নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার বাসিন্দারা দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে যান।
মঙ্গলবার দুপুরে উভয় পক্ষ মাইক দিয়ে পূর্ব বিরোধের বিষয়টি প্রচার করে লোক জড়ো করতে থাকে। এ সময় ইসলামপুর ও পশ্চিম টুকেরগাঁও গ্রামের লোকজন এক পক্ষ এবং নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার লোকজন আরেক পক্ষ হয়ে দুপুর ১টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টুকেরবাজার এলাকায় গিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাড়কের টুকেরবাজারের বউ বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় উভয় পক্ষের অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র। এতে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কে দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল।
খবর পেয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল নিক্ষেপ করে। পরে দুই পক্ষের লোকজন মহাসড়ক ছেড়ে চলে গেলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে দুই পক্ষের লোকজন মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা খাদিজা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ বিকেল সোয়া ৪টার দিকে জানান, দুই পক্ষের লোকজনকে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। কয়টি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, সেটি হিসাব হয়নি। দুই পক্ষ নিজ এলাকায় অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর মুঠোফোনে চার্জ দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার থানারবাজার এলাকায় কাঁঠালবাড়ি ও বর্ণি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল কোম্পানীগঞ্জ। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। সংঘর্ষের ওই ঘটনা থামাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে নেমেছিলেন। পরে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষের ঘটনা থেমেছিল।
সূত্র: প্রথম আলো

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার টুকেরবাজার এলাকায় মাইক দিয়ে লোক জড়ো করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ৩ গ্রামের বাসিন্দারা। এ সময় দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১২ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
খবর প্রথম আলোর।
এ ছাড়া, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি যানবাহন।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জের টুকেরবাজারের বউ বাজার এলাকায় থেমে থেমে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ঘটনাস্থলে কোম্পানীগঞ্জ থানা–পুলিশ উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জানুয়ারি বিকেলে কোম্পানীগঞ্জের টুকেরবাজার এলাকার বউ বাজারে মাছ বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিম টুকেরগাঁও ও নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সোমবারও (২০ জানুয়ারি) দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। মাছের দরদাম নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ইসলামপুর, পশ্চিম টুকেরগাঁও এবং নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার বাসিন্দারা দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে যান।
মঙ্গলবার দুপুরে উভয় পক্ষ মাইক দিয়ে পূর্ব বিরোধের বিষয়টি প্রচার করে লোক জড়ো করতে থাকে। এ সময় ইসলামপুর ও পশ্চিম টুকেরগাঁও গ্রামের লোকজন এক পক্ষ এবং নয়াগাঙ্গেরপাড় এলাকার লোকজন আরেক পক্ষ হয়ে দুপুর ১টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টুকেরবাজার এলাকায় গিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাড়কের টুকেরবাজারের বউ বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় উভয় পক্ষের অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র। এতে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কে দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল।
খবর পেয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল নিক্ষেপ করে। পরে দুই পক্ষের লোকজন মহাসড়ক ছেড়ে চলে গেলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে দুই পক্ষের লোকজন মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা খাদিজা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ বিকেল সোয়া ৪টার দিকে জানান, দুই পক্ষের লোকজনকে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। কয়টি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, সেটি হিসাব হয়নি। দুই পক্ষ নিজ এলাকায় অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর মুঠোফোনে চার্জ দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার থানারবাজার এলাকায় কাঁঠালবাড়ি ও বর্ণি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল কোম্পানীগঞ্জ। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। সংঘর্ষের ওই ঘটনা থামাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে নেমেছিলেন। পরে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষের ঘটনা থেমেছিল।
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”