
বিডিজেন ডেস্ক

দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে। নির্বাহী আদেশে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তবর্তী সরকার।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম এ তথ্য জানান।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী আদেশে এই ছুটির (বৃহস্পতিবার) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর ফলে এ বছর দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি হতে যাচ্ছে। আগামী শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। পরদিন রোববার শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সরকারি ছুটি। ফলে সব মিলিয়ে আগামী বৃহস্পতি থেকে রোববার পর্যন্ত চারদিন ছুটি থাকছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ছুটি ঘোষণা করা হবে। মাহফুজ আলম বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে। নির্বাহী আদেশে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তবর্তী সরকার।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম এ তথ্য জানান।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী আদেশে এই ছুটির (বৃহস্পতিবার) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর ফলে এ বছর দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি হতে যাচ্ছে। আগামী শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। পরদিন রোববার শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সরকারি ছুটি। ফলে সব মিলিয়ে আগামী বৃহস্পতি থেকে রোববার পর্যন্ত চারদিন ছুটি থাকছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ছুটি ঘোষণা করা হবে। মাহফুজ আলম বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।