
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকায় আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে কালবৈশাখী হয়েছে। ঘণ্টায় এর গতিবেগ ছিল ৬৬ কিলোমিটার। তবে এ সময় বৃষ্টি হয় সামান্যই। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। আজ রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রঝড় হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছিল। এর প্রভাবে আজ বৃহস্পতিবার এবং আগামীকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপটি অবশ্য এখন দুর্বল হয়ে গেছে।
আজ বিকেল থেকেই রাজধানীর আকাশ মেঘলা হতে শুরু করে। বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটের দিকে শুরু হয় বজ্রঝড় বা কালবৈশাখী।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, বিকেলে রাজধানীতে যে বজ্রঝড় হয়েছে, তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬৬ কিলোমিটার। তবে আজ মূলত ঝড়ই হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল সামান্য। আজ রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রঝড় হতে পারে।
গত রোববার (৬ এপ্রিল) রাতে রাজধানীতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হয়। ওই দিন বাতাসের গতিবেগ ছিল ৫৬ কিলোমিটার।
রাজধানীতে আজ যে ঝড়ের গতি, তা এ মাসে সর্বোচ্চ বলে জানান আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর। তিনি বলেন, আকাশ বেশ কালো করে মেঘ জমেছিল। কিন্তু যথেষ্ট ঝোড়ো হাওয়া থাকলেও বৃষ্টি ততটা হয়নি।
আজ রাতে রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোরে বজ্রঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন তরিফুল নেওয়াজ কবীর।
এরই মধ্যে আজ দেশের অন্তত ৭ জেলায় বয়ে যায় তাপপ্রবাহ। জেলাগুলো হলো সিরাজগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, ফেনী, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী। আগামীকালও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তবে আগামীকাল রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক স্থানে স্থানীয়ভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস।

রাজধানী ঢাকায় আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে কালবৈশাখী হয়েছে। ঘণ্টায় এর গতিবেগ ছিল ৬৬ কিলোমিটার। তবে এ সময় বৃষ্টি হয় সামান্যই। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। আজ রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রঝড় হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছিল। এর প্রভাবে আজ বৃহস্পতিবার এবং আগামীকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপটি অবশ্য এখন দুর্বল হয়ে গেছে।
আজ বিকেল থেকেই রাজধানীর আকাশ মেঘলা হতে শুরু করে। বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটের দিকে শুরু হয় বজ্রঝড় বা কালবৈশাখী।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, বিকেলে রাজধানীতে যে বজ্রঝড় হয়েছে, তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬৬ কিলোমিটার। তবে আজ মূলত ঝড়ই হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল সামান্য। আজ রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রঝড় হতে পারে।
গত রোববার (৬ এপ্রিল) রাতে রাজধানীতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হয়। ওই দিন বাতাসের গতিবেগ ছিল ৫৬ কিলোমিটার।
রাজধানীতে আজ যে ঝড়ের গতি, তা এ মাসে সর্বোচ্চ বলে জানান আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর। তিনি বলেন, আকাশ বেশ কালো করে মেঘ জমেছিল। কিন্তু যথেষ্ট ঝোড়ো হাওয়া থাকলেও বৃষ্টি ততটা হয়নি।
আজ রাতে রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোরে বজ্রঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন তরিফুল নেওয়াজ কবীর।
এরই মধ্যে আজ দেশের অন্তত ৭ জেলায় বয়ে যায় তাপপ্রবাহ। জেলাগুলো হলো সিরাজগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, ফেনী, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী। আগামীকালও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তবে আগামীকাল রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক স্থানে স্থানীয়ভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”