
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্প স্বল্পমাত্রা থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ এবং গবেষণাকেন্দ্রের সূত্রও ভূমিকম্পের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর গণমাধ্যমকে জানান, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কাছে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত এলাকায়। এটি স্বল্পমাত্রা থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে গণ্য হয়।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কাছে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত এলাকায়।’
এর আগে গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে পরপর দুটি ভূমিকম্প হয়। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। ওই দিন প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। পরে ১২ মিনিটের ব্যবধানে আরেকটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। শক্তিশালী ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে মান্দালয়ের সাগাইং শহরের কাছাকাছি। ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে মিয়ানমারে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
আরও পড়ুন

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্প স্বল্পমাত্রা থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ এবং গবেষণাকেন্দ্রের সূত্রও ভূমিকম্পের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর গণমাধ্যমকে জানান, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কাছে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত এলাকায়। এটি স্বল্পমাত্রা থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে গণ্য হয়।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের কাছে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত এলাকায়।’
এর আগে গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে পরপর দুটি ভূমিকম্প হয়। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। ওই দিন প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। পরে ১২ মিনিটের ব্যবধানে আরেকটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। শক্তিশালী ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে মান্দালয়ের সাগাইং শহরের কাছাকাছি। ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে মিয়ানমারে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
আরও পড়ুন
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।