
প্রতিবেদক, বিডিজেন
আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম বলেছেন, আমি একটা কাজে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলাম। সেখানেবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের (হাইকমিশনার) সঙ্গে আমার সাক্ষাতের কথা ছিল। আমি ট্যাক্সি নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে (হাইকমিশন) যাচ্ছিলাম। সেখানে ট্যাক্সিচালক আমাকে অ্যাম্বাসির মূল গেটে নয় পেছনের একটা ছোট গেটের কাছে নামিয়ে দেয়। আমি তার কাছে পেছনে নামানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই পেছনের দরজা দিয়েইতো ওখানে যান। সামনের দরজা খোলা থাকে না। ভেতরে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ। দালালেরা টাকা লেনদেন করছে। এটাই স্বাভাবিক অবস্থা।
হাইকমিশনে পর্যাপ্ত শৌচাগার এবং খাবারসহ অনেক কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন অতিথি হিসেব দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
শহিদুল আলম বলেন, অভিবাসীদের সবার আগে মানুষ হিসেব দেখা প্রয়োজন। আমি বিভিন্ন সময় নানা জায়গা ও দেশে গিয়েছি। বিদেশে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরসহ অনেক জায়গায় অভিবাসীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়, তাতে বোঝা যায় আমরা কীভাবে তাদের দেখি। অভিবাসীরা নানা ত্যাগ স্বীকার করে বিদেশ থেকে অর্থ প্রেরণ করে। সেই টাকা দিয়ে আমরা ভোগ–বিলাস ও নানা উন্নয়ন করি। কিন্তু তাদের ত্যাগের কথা মনে রাখি না।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরাও যেখান থেকে মুনাফা আসে সেখানে বিনিয়োগ করে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রবাস খাত থেকে এত বেশি অর্থ আসা সত্ত্বেও বিনিয়োগ করা হয় না। বরং এই খাতের টাকা অনেকে পাচার করে বিদেশে গাড়ি–বাড়ি বানায়। প্রবাসীদের টাকায় দেশে এত কিছু হয়, কিন্তু তাদের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করার জন্য সেভাবে কিছু করা হয় না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রিফিউজি অ্যান্ড রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদ আলম, রামরুর সিনিয়র কমিউনিকেশন অফিসার মো. পারভেজ আলম ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মেরিনা সুলতানা প্রমুখ।
আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম বলেছেন, আমি একটা কাজে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলাম। সেখানেবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের (হাইকমিশনার) সঙ্গে আমার সাক্ষাতের কথা ছিল। আমি ট্যাক্সি নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে (হাইকমিশন) যাচ্ছিলাম। সেখানে ট্যাক্সিচালক আমাকে অ্যাম্বাসির মূল গেটে নয় পেছনের একটা ছোট গেটের কাছে নামিয়ে দেয়। আমি তার কাছে পেছনে নামানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই পেছনের দরজা দিয়েইতো ওখানে যান। সামনের দরজা খোলা থাকে না। ভেতরে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ। দালালেরা টাকা লেনদেন করছে। এটাই স্বাভাবিক অবস্থা।
হাইকমিশনে পর্যাপ্ত শৌচাগার এবং খাবারসহ অনেক কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন অতিথি হিসেব দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
শহিদুল আলম বলেন, অভিবাসীদের সবার আগে মানুষ হিসেব দেখা প্রয়োজন। আমি বিভিন্ন সময় নানা জায়গা ও দেশে গিয়েছি। বিদেশে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরসহ অনেক জায়গায় অভিবাসীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়, তাতে বোঝা যায় আমরা কীভাবে তাদের দেখি। অভিবাসীরা নানা ত্যাগ স্বীকার করে বিদেশ থেকে অর্থ প্রেরণ করে। সেই টাকা দিয়ে আমরা ভোগ–বিলাস ও নানা উন্নয়ন করি। কিন্তু তাদের ত্যাগের কথা মনে রাখি না।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরাও যেখান থেকে মুনাফা আসে সেখানে বিনিয়োগ করে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রবাস খাত থেকে এত বেশি অর্থ আসা সত্ত্বেও বিনিয়োগ করা হয় না। বরং এই খাতের টাকা অনেকে পাচার করে বিদেশে গাড়ি–বাড়ি বানায়। প্রবাসীদের টাকায় দেশে এত কিছু হয়, কিন্তু তাদের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করার জন্য সেভাবে কিছু করা হয় না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রিফিউজি অ্যান্ড রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদ আলম, রামরুর সিনিয়র কমিউনিকেশন অফিসার মো. পারভেজ আলম ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মেরিনা সুলতানা প্রমুখ।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।