
প্রতিবেদক, বিডিজেন

লিবিয়ায় তিন বাংলাদেশিকে অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবিতে শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও চিত্র পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবার। অপহরণকারী চক্রটি ডাচ বাংলা ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখার একটি হিসাব নম্বরে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেছে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত দুজনের পরিবার অপহরণকারীদের প্রায় ৬ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন। অন্য আরেকজনের পরিবার থানা ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে অভিযোগ করেছে।
লিবিয়ায় অপহৃত প্রবাসী তিনজনই জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন গোলাম রব্বানী, আব্দুল করিম ও রুহুল আমিন।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনজনের মধ্যে গোলাম রব্বানীকে ১৭ দিন আগে, আর অন্য দুজনকে ৮ দিন আগে অপহরণ করা হয়েছে। রুহুল আমিন ও আব্দুল করিম পরস্পরের শালা-ভগ্নিপতি।
পরিবার আরও জানায়, গোলাম রব্বানী ২০১৫ সালে দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। এর মধ্যে কয়েক বছর কাজ করে ছুটিতে বাড়িতে এসে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আবারও লিবিয়ায় যান। ১৭ দিন আগে রঙের কাজের কথা বলে একটি চক্র তাকে অপহরণ করে। এরপর মুক্তিপণ হিসেবে তার পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে গত ৬ ডিসেম্বর রঙের কাজ করানোর জন্য ডেকে নিয়ে করিম ও রুহুলকে অপহরণ করা হয়। পরদিন মোবাইলে নির্যাতনের ভিডিও ও ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সর্বশেষ ঢাকার মতিঝিল করপোরেট শাখার একটি অ্যাকাউন্টে ৩০ লাখ টাকার দাবি করা হয় বলেও জানান ভুক্তভোগীর পরিবার।
রুহুল আমিনের স্ত্রী বিডিজেন প্রতিবেদককে বলেন, “আমরা স্বামী ও দুলাভাইকে অপহরণের পর [অপহরণকারীরা] শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও পাঠায়। দুইজনকে মুক্তির জন্য তারা ৫০ লাখ টাকা চেয়ে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়েছে। আমরা পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় পুলিশকে জানাতে ভয় পাচ্ছি। আমরা কিছু টাকা পাঠিয়েওছি আর বাকি টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করছি। যদিও এত টাকা দেওয়ার মতো সামর্থ আমাদের নাই। কী করব বুঝতেও পারছি না?”
গোলাম রব্বানীর স্ত্রী মোছা. জুথি আক্তার গত ৮ ডিসেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতা চেয়ে মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা মোবাইল ফোনে বিডিজেনকে বলেন, আমি এই থানায় নতুন যুক্ত হয়েছি। কিছু দিন আগে একজন নারী এসে তার স্বামী লিবিয়ার অপহরণ হয়েছেন এমন অভিযোগ করেছেন। তবে তারা ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ দপ্তরে সহযোগীতা চাওয়ার জন্য গিয়েছে বলে জেনেছি।

লিবিয়ায় তিন বাংলাদেশিকে অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবিতে শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও চিত্র পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবার। অপহরণকারী চক্রটি ডাচ বাংলা ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখার একটি হিসাব নম্বরে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেছে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত দুজনের পরিবার অপহরণকারীদের প্রায় ৬ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন। অন্য আরেকজনের পরিবার থানা ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে অভিযোগ করেছে।
লিবিয়ায় অপহৃত প্রবাসী তিনজনই জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন গোলাম রব্বানী, আব্দুল করিম ও রুহুল আমিন।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনজনের মধ্যে গোলাম রব্বানীকে ১৭ দিন আগে, আর অন্য দুজনকে ৮ দিন আগে অপহরণ করা হয়েছে। রুহুল আমিন ও আব্দুল করিম পরস্পরের শালা-ভগ্নিপতি।
পরিবার আরও জানায়, গোলাম রব্বানী ২০১৫ সালে দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। এর মধ্যে কয়েক বছর কাজ করে ছুটিতে বাড়িতে এসে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আবারও লিবিয়ায় যান। ১৭ দিন আগে রঙের কাজের কথা বলে একটি চক্র তাকে অপহরণ করে। এরপর মুক্তিপণ হিসেবে তার পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে গত ৬ ডিসেম্বর রঙের কাজ করানোর জন্য ডেকে নিয়ে করিম ও রুহুলকে অপহরণ করা হয়। পরদিন মোবাইলে নির্যাতনের ভিডিও ও ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সর্বশেষ ঢাকার মতিঝিল করপোরেট শাখার একটি অ্যাকাউন্টে ৩০ লাখ টাকার দাবি করা হয় বলেও জানান ভুক্তভোগীর পরিবার।
রুহুল আমিনের স্ত্রী বিডিজেন প্রতিবেদককে বলেন, “আমরা স্বামী ও দুলাভাইকে অপহরণের পর [অপহরণকারীরা] শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও পাঠায়। দুইজনকে মুক্তির জন্য তারা ৫০ লাখ টাকা চেয়ে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়েছে। আমরা পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় পুলিশকে জানাতে ভয় পাচ্ছি। আমরা কিছু টাকা পাঠিয়েওছি আর বাকি টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করছি। যদিও এত টাকা দেওয়ার মতো সামর্থ আমাদের নাই। কী করব বুঝতেও পারছি না?”
গোলাম রব্বানীর স্ত্রী মোছা. জুথি আক্তার গত ৮ ডিসেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতা চেয়ে মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা মোবাইল ফোনে বিডিজেনকে বলেন, আমি এই থানায় নতুন যুক্ত হয়েছি। কিছু দিন আগে একজন নারী এসে তার স্বামী লিবিয়ার অপহরণ হয়েছেন এমন অভিযোগ করেছেন। তবে তারা ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ দপ্তরে সহযোগীতা চাওয়ার জন্য গিয়েছে বলে জেনেছি।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।