
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ৩ গভর্নর, সাবেক ৪ ডেপুটি গভর্নর ও বিএফআইইউর সাবেক ২ প্রধানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে সবগুলো ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সাবেক ৩ গভর্নর হলেন আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আবদুর রউফ তালুকদার। সাবেক ৪ ডেপুটি গভর্নর হলেন এস কে সুর চৌধুরী, এস এম মনিরুজ্জামান, কাজী সায়েদুর রহমান ও আবু ফারাহ মো. নাসের। বিএফআইইউর সাবেক ২ প্রধান হলেন আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান এবং মো. মাসুদ বিশ্বাস।
তাঁদের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চেয়ে গত সপ্তাহে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে বিএফআইইউর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, 'দুর্নীতি দমন কমিশন এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুরোধে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ চাওয়া হয়েছে।'
চিঠিতে তাদের অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম, কেওয়াইসি নথি, লেনদেনের ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যসহ অন্যান্য সব তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ৩ গভর্নর, সাবেক ৪ ডেপুটি গভর্নর ও বিএফআইইউর সাবেক ২ প্রধানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে সবগুলো ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সাবেক ৩ গভর্নর হলেন আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আবদুর রউফ তালুকদার। সাবেক ৪ ডেপুটি গভর্নর হলেন এস কে সুর চৌধুরী, এস এম মনিরুজ্জামান, কাজী সায়েদুর রহমান ও আবু ফারাহ মো. নাসের। বিএফআইইউর সাবেক ২ প্রধান হলেন আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান এবং মো. মাসুদ বিশ্বাস।
তাঁদের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চেয়ে গত সপ্তাহে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে বিএফআইইউর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, 'দুর্নীতি দমন কমিশন এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুরোধে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ চাওয়া হয়েছে।'
চিঠিতে তাদের অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম, কেওয়াইসি নথি, লেনদেনের ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যসহ অন্যান্য সব তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”