
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের কাছে সরকারি কর্মচারীদের চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি তুলে ধরেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবেরা। প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব দাবির বিষয়টি তাঁকে জানাবেন।
আজ বুধবার (২৮ মে) সকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন সচিব মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে যান। তাঁরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে আগের দিন কর্মচারীদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন।
এরপর ভূমিসচিব সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে তাঁরা কর্মচারীদের কথা ও গতকালের আলোচনার বিষয়ে জানিয়েছেন। এখন এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিষয়টি তুলে ধরবেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে আন্দোলনরত কর্মচারীদের নেতারা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান।
এদিকে ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জাপান গেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী ৩১ মে তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের কাছে সরকারি কর্মচারীদের চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি তুলে ধরেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবেরা। প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব দাবির বিষয়টি তাঁকে জানাবেন।
আজ বুধবার (২৮ মে) সকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন সচিব মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে যান। তাঁরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে আগের দিন কর্মচারীদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন।
এরপর ভূমিসচিব সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে তাঁরা কর্মচারীদের কথা ও গতকালের আলোচনার বিষয়ে জানিয়েছেন। এখন এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিষয়টি তুলে ধরবেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে আন্দোলনরত কর্মচারীদের নেতারা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান।
এদিকে ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জাপান গেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী ৩১ মে তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।