
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দ্বীপে কোনো ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আগুনে এই বড় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দ্বীপের বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।
তিনি জানান, গভীর রাতে হঠাৎ করে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা বিচ ভ্যালি রিসোর্টে আগুন লাগে। এরপর মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শায়রী, বিচ ভ্যালি ও কিংশুক রিসোর্ট পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সব মিলিয়ে ৩০টি কক্ষ আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়।
দ্বীপের বাসিন্দা নুর মুহাম্মদ বলেন, “ময়লা পোড়ানোর আগুন থেকে প্রথমে শায়রী রিসোর্টে আগুন ধরে। পরে সেখান থেকে আরও দুটি রিসোর্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে প্রথমে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। পরে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”
কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি ।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দ্বীপে কোনো ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আগুনে এই বড় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দ্বীপের বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।
তিনি জানান, গভীর রাতে হঠাৎ করে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা বিচ ভ্যালি রিসোর্টে আগুন লাগে। এরপর মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শায়রী, বিচ ভ্যালি ও কিংশুক রিসোর্ট পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সব মিলিয়ে ৩০টি কক্ষ আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়।
দ্বীপের বাসিন্দা নুর মুহাম্মদ বলেন, “ময়লা পোড়ানোর আগুন থেকে প্রথমে শায়রী রিসোর্টে আগুন ধরে। পরে সেখান থেকে আরও দুটি রিসোর্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে প্রথমে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। পরে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”
কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি ।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।