
প্রতিবেদক, বিডিজেন
বেসরকারি খাতের এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক এবং এনআরবি ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে বেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে নতুন করে কারা পর্ষদের দায়িত্ব পেয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, ‘কাল (বৃহস্পতিবার) এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
জানা গেছে, এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের রাশিয়া শাখার নেতা এস এম পারভেজ তমাল। এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে আলী হোসেন প্রধানিয়াকে। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এইচ এন আশিকুর রহমান। এ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর পরিবার ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যাংকটির বেশির ভাগ শেয়ার এখন তাদের হাতে। পরিচালকদের অনেকে দেশের বাইরে, ফলে সুশাসন ব্যাহত হচ্ছিল। ব্যাংকটিতে নতুন পরিচালক করা হয়েছে শেয়ারধারী উজমা চৌধুরী ও প্রতিনিধি পরিচালক তানভীর আহমেদকে। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই নির্বাহী পরিচালক মামুনুল হক ও রজব আলী, যমুনা ব্যাংকের সাবেক এমডি নজরুল ইসলাম, প্রাইম ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত এমডি হাবিবুর রহমান ও হিসাববিদ আলি আকতার রিজভীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্য থেকে ব্যাংক নিজেই চেয়ারম্যন নির্ধারণ করবে।

এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আল হারামাইন পারফিউমের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান। সরকার বদলের পর তিনিসহ অনেক পরিচালক দেশে ফিরছেন না। এ জন্য ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পরিচালক করা হয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিইকে। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র পরিচালক করা হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শেখ মো. সেলিম, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক এমডি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রাইম ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি শেখ মতিউর রহমান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরীফ নুরুল আহকাম ও হিসাববিদ মিজানুর রহমানকে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম নিয়ন্ত্রণাধীন ইসলামী ব্যাংকসহ মোট ১১টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থায় দ্বিতীয়বারের মতো এমন সিদ্ধান্ত নিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এর আগে যে ১১ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয় তার মধ্যে ৭টিই ছিল এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে। পর্ষদ ভেঙে দেওয়া ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী, বাংলাদেশ কমার্স, ন্যাশনাল, আল-আরাফাহ্, আইএফআইসি, ইউসিবি ও এক্সিম ব্যাংক। এর মধ্যে ৬টি ব্যাংকের সম্পদের মান যাচাই করছে বৈশ্বিক দুই নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়াং ও কেপিএমজি।
বেসরকারি খাতের এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক এবং এনআরবি ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে বেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে নতুন করে কারা পর্ষদের দায়িত্ব পেয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, ‘কাল (বৃহস্পতিবার) এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’
জানা গেছে, এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের রাশিয়া শাখার নেতা এস এম পারভেজ তমাল। এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে আলী হোসেন প্রধানিয়াকে। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের (বিকেবি) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এইচ এন আশিকুর রহমান। এ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর পরিবার ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যাংকটির বেশির ভাগ শেয়ার এখন তাদের হাতে। পরিচালকদের অনেকে দেশের বাইরে, ফলে সুশাসন ব্যাহত হচ্ছিল। ব্যাংকটিতে নতুন পরিচালক করা হয়েছে শেয়ারধারী উজমা চৌধুরী ও প্রতিনিধি পরিচালক তানভীর আহমেদকে। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই নির্বাহী পরিচালক মামুনুল হক ও রজব আলী, যমুনা ব্যাংকের সাবেক এমডি নজরুল ইসলাম, প্রাইম ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত এমডি হাবিবুর রহমান ও হিসাববিদ আলি আকতার রিজভীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্য থেকে ব্যাংক নিজেই চেয়ারম্যন নির্ধারণ করবে।

এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন আল হারামাইন পারফিউমের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান। সরকার বদলের পর তিনিসহ অনেক পরিচালক দেশে ফিরছেন না। এ জন্য ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পরিচালক করা হয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিইকে। এ ছাড়া, স্বতন্ত্র পরিচালক করা হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শেখ মো. সেলিম, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক এমডি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রাইম ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি শেখ মতিউর রহমান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরীফ নুরুল আহকাম ও হিসাববিদ মিজানুর রহমানকে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস আলম নিয়ন্ত্রণাধীন ইসলামী ব্যাংকসহ মোট ১১টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থায় দ্বিতীয়বারের মতো এমন সিদ্ধান্ত নিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এর আগে যে ১১ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয় তার মধ্যে ৭টিই ছিল এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে। পর্ষদ ভেঙে দেওয়া ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী, বাংলাদেশ কমার্স, ন্যাশনাল, আল-আরাফাহ্, আইএফআইসি, ইউসিবি ও এক্সিম ব্যাংক। এর মধ্যে ৬টি ব্যাংকের সম্পদের মান যাচাই করছে বৈশ্বিক দুই নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়াং ও কেপিএমজি।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”