
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ঢালিউড অভিনেত্রী পূর্ণিমাকে অনেক দিন নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। তাঁর অভিনীত বেশ কয়েকটি সিনেমার শুটিং আটকে আছে।
নতুন কোনো সিনেমায় না থাকলেও রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো 'সেরা রাঁধুনী'র বিচারক হয়ে পর্দায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। ইতিমধ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনে অনুষ্ঠানটির প্রচার শুরু হয়েছে।
পূর্ণিমা বলেন, 'এর আগেও নানা অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছি। তবে রান্নার অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন উপভোগ করছি। আয়োজনে রন্ধনশিল্পীরা শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই দেখাচ্ছেন। আশা করছি, এখান থেকে প্রতিভাবান রন্ধনশিল্পীরা বের হবেন।'
বর্তমানে পূর্ণিমাকে অভিনয়ে দেখা না গেলেও তিনি নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন।

ঢালিউড অভিনেত্রী পূর্ণিমাকে অনেক দিন নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। তাঁর অভিনীত বেশ কয়েকটি সিনেমার শুটিং আটকে আছে।
নতুন কোনো সিনেমায় না থাকলেও রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো 'সেরা রাঁধুনী'র বিচারক হয়ে পর্দায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। ইতিমধ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনে অনুষ্ঠানটির প্রচার শুরু হয়েছে।
পূর্ণিমা বলেন, 'এর আগেও নানা অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছি। তবে রান্নার অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন উপভোগ করছি। আয়োজনে রন্ধনশিল্পীরা শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই দেখাচ্ছেন। আশা করছি, এখান থেকে প্রতিভাবান রন্ধনশিল্পীরা বের হবেন।'
বর্তমানে পূর্ণিমাকে অভিনয়ে দেখা না গেলেও তিনি নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।