
সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি এখন অনেককে শেখ হাসিনার সুরে কথা বলতে দেখছি। শেখ হাসিনা বলতেন, আমরা উন্নয়ন করছি। বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। নির্বাচন কেন দরকার? অন্তর্বর্তী সরকারও বলতে শুরু করেছে, আমরা সংস্কার করছি। অর্থনৈতিক উন্নয়ন করছি। আমরা আপনাদের বলছি, সরি, সংস্কার আপনাদের কাজ নয়। আপনাদের কাজ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা।’
শুক্রবার (২৮ মার্চ) চট্টগ্রাম ক্লাবে ইফতার ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি তুলে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিন। ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। দ্রুত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করুন। বাংলাদেশের মানুষ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সংসদ গঠন করবে। সরকার গঠন করবে। তারাই আগামী দিনে মানুষের আশা পূরণ করবেন।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশে প্রত্যেক দিন গণতন্ত্র ছাড়া অতিবাহিত হচ্ছে। দয়া করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিন। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। সংস্কার যেটা বলছেন, সেটা নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যাবতীয় সংস্কার করবে।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপিসহ যারা যুগপৎ আন্দোলনে রাস্তায় ছিলেন, তারা সবাই মিলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের ওয়াদা করেছিলেন। ফলে আগামী নির্বাচনের পরে জাতীয় সরকারের মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করবেন। সুতরাং এই কাজ নির্বাচিত সরকারের সংসদ করবে।
গণতন্ত্রে ফেরার যে সংগ্রাম, তা এখনো শেষ হয়নি উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু বলেন, জনগণের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সে সংগ্রাম শেষ হবে। জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র বাহক হচ্ছে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠন করা। তবে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে যেসব ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।
ইফতার ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের সেই পরিবর্তন ধারণ করে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের পাশাপাশি চলতে হয়। একটি অপরটিকে ছাড়া যথাযথভাবে কার্যসিদ্ধি হয় না। দীর্ঘ সময় পর একটি স্বৈরাচারী সরকার বিদায় নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গিয়েছে। রাজনীতিতে এখন বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি এখন অনেককে শেখ হাসিনার সুরে কথা বলতে দেখছি। শেখ হাসিনা বলতেন, আমরা উন্নয়ন করছি। বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। নির্বাচন কেন দরকার? অন্তর্বর্তী সরকারও বলতে শুরু করেছে, আমরা সংস্কার করছি। অর্থনৈতিক উন্নয়ন করছি। আমরা আপনাদের বলছি, সরি, সংস্কার আপনাদের কাজ নয়। আপনাদের কাজ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা।’
শুক্রবার (২৮ মার্চ) চট্টগ্রাম ক্লাবে ইফতার ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি তুলে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিন। ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। দ্রুত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করুন। বাংলাদেশের মানুষ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সংসদ গঠন করবে। সরকার গঠন করবে। তারাই আগামী দিনে মানুষের আশা পূরণ করবেন।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশে প্রত্যেক দিন গণতন্ত্র ছাড়া অতিবাহিত হচ্ছে। দয়া করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিন। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। সংস্কার যেটা বলছেন, সেটা নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যাবতীয় সংস্কার করবে।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপিসহ যারা যুগপৎ আন্দোলনে রাস্তায় ছিলেন, তারা সবাই মিলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের ওয়াদা করেছিলেন। ফলে আগামী নির্বাচনের পরে জাতীয় সরকারের মাধ্যমে সেটি বাস্তবায়ন করবেন। সুতরাং এই কাজ নির্বাচিত সরকারের সংসদ করবে।
গণতন্ত্রে ফেরার যে সংগ্রাম, তা এখনো শেষ হয়নি উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু বলেন, জনগণের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সে সংগ্রাম শেষ হবে। জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র বাহক হচ্ছে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠন করা। তবে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে যেসব ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।
ইফতার ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের সেই পরিবর্তন ধারণ করে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের পাশাপাশি চলতে হয়। একটি অপরটিকে ছাড়া যথাযথভাবে কার্যসিদ্ধি হয় না। দীর্ঘ সময় পর একটি স্বৈরাচারী সরকার বিদায় নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গিয়েছে। রাজনীতিতে এখন বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।’
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।