চট্টগ্রাম টেস্ট

প্রতিবেদক, বিডিজেন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও দ্বিতীয় দিন শেষে উইকেট হারিয়ে ফেলার অস্বস্তিতে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ২২৭ রানে আটকে দিয়ে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কিন্তু টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ইনিংস বড় করতে না পারায় দ্বিতীয় দিনটা বাংলাদেশ শেষ করেছেন ৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে। সাদমান চার বছর পর টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছেন। তিনি ১২০ রান করে ফেরেন। জিম্বাবুয়ের চেয়ে এখন ৬৪ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।
সাদমানের পর আরেক ওপেনার এনামুল হক ৩৯, মুমিনুল হক ৩৩ আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ২৩ রান করেন। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ফেরেন ৪০ রান করে, রান আউট হয়ে। জিম্বাবুয়ের ভিনসেন্ট মাসেকেসা ৪৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়াও, ব্লেসিং মুজারাবানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ব্রায়ান বেনেট একটি করে উইকেট নিয়েছেন। দিনের শেষে মেহেদী হাসান মিরাজ অপরাজিত আছেন ১৬ রান নিয়ে।
২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই হারারেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান। ৪ বছর পর আজ আবার পেলেন সেঞ্চুরি। দেশের মাটিতে এটি তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ইনিংসের ৪২তম ওভারে রিচার্ড এনগারাভাকে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই বাঁ হাতি ওপেনার। ততক্ষণে তিনি খেলেছেন ১৪২ বল। ৭৮ বলে পঞ্চাশ পূরণ করেছিলেন সাদমান। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৬ বাউন্ডারির মার।
জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস: ৯০.১ ওভারে ২২৭ (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, বেনেট ২১, কারেন ২১; তাইজুল ৬/৬০, নাঈম ২/৪২, তানজিম ১/৪৯)।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৭ ওভারে ২৯১/৭ (সাদমান ১২০, মুশফিক ৪০, এনামুল ৩৯, মুমিনুল ৩৩, নাজমুল ২৩, মিরাজ ১৬*, তাইজুল ৫*; মাসেকেসা ৩/৪৪, মুজারাবানি ১/৪৪, বেনেট ১/৪৯, মাসাকাদজা ১/৭৭)।
দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ৬৪ রানে এগিয়ে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও দ্বিতীয় দিন শেষে উইকেট হারিয়ে ফেলার অস্বস্তিতে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ২২৭ রানে আটকে দিয়ে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কিন্তু টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ইনিংস বড় করতে না পারায় দ্বিতীয় দিনটা বাংলাদেশ শেষ করেছেন ৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে। সাদমান চার বছর পর টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছেন। তিনি ১২০ রান করে ফেরেন। জিম্বাবুয়ের চেয়ে এখন ৬৪ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।
সাদমানের পর আরেক ওপেনার এনামুল হক ৩৯, মুমিনুল হক ৩৩ আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ২৩ রান করেন। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ফেরেন ৪০ রান করে, রান আউট হয়ে। জিম্বাবুয়ের ভিনসেন্ট মাসেকেসা ৪৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়াও, ব্লেসিং মুজারাবানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ব্রায়ান বেনেট একটি করে উইকেট নিয়েছেন। দিনের শেষে মেহেদী হাসান মিরাজ অপরাজিত আছেন ১৬ রান নিয়ে।
২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই হারারেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান। ৪ বছর পর আজ আবার পেলেন সেঞ্চুরি। দেশের মাটিতে এটি তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ইনিংসের ৪২তম ওভারে রিচার্ড এনগারাভাকে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই বাঁ হাতি ওপেনার। ততক্ষণে তিনি খেলেছেন ১৪২ বল। ৭৮ বলে পঞ্চাশ পূরণ করেছিলেন সাদমান। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৬ বাউন্ডারির মার।
জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস: ৯০.১ ওভারে ২২৭ (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, বেনেট ২১, কারেন ২১; তাইজুল ৬/৬০, নাঈম ২/৪২, তানজিম ১/৪৯)।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৭ ওভারে ২৯১/৭ (সাদমান ১২০, মুশফিক ৪০, এনামুল ৩৯, মুমিনুল ৩৩, নাজমুল ২৩, মিরাজ ১৬*, তাইজুল ৫*; মাসেকেসা ৩/৪৪, মুজারাবানি ১/৪৪, বেনেট ১/৪৯, মাসাকাদজা ১/৭৭)।
দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ৬৪ রানে এগিয়ে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”