
বিডিজেন ডেস্ক

১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
বৃহস্পতিবfর (১৬ জানুয়ারি) কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুপুর ২টার দিকে তিনি বের হলে জেলগেটে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বশির উদ্দিন বলেন, দুপুর ২টার দিকে লুৎফুজ্জামান বাবর কারাগার থেকে বের হন।
এর আগে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) হাইকোর্ট থেকে ১০ ট্রাক অস্ত্র আইনের মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পেয়েছেন।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
তার আগে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা থেকে তিনি খালাস পান। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান তিনি। এ ছাড়া, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ৮টি মামলা থেকে ইতিমধ্যে তিনি জামিন পেয়েছেন। ২০০৭ সাল থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের জেটিতে অভিযান চালিয়ে ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র মামলায় ৫০ জন ও অন্যটিতে ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র আইনে ২টি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২টি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেয়। এর মধ্যে অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া এবং দুই গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় একই অভিযুক্তদের।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরি) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
বৃহস্পতিবfর (১৬ জানুয়ারি) কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুপুর ২টার দিকে তিনি বের হলে জেলগেটে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বশির উদ্দিন বলেন, দুপুর ২টার দিকে লুৎফুজ্জামান বাবর কারাগার থেকে বের হন।
এর আগে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) হাইকোর্ট থেকে ১০ ট্রাক অস্ত্র আইনের মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পেয়েছেন।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
তার আগে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা থেকে তিনি খালাস পান। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় ৮ বছরের দণ্ড থেকে এবং ১ ডিসেম্বর ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান তিনি। এ ছাড়া, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ৮টি মামলা থেকে ইতিমধ্যে তিনি জামিন পেয়েছেন। ২০০৭ সাল থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের জেটিতে অভিযান চালিয়ে ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র মামলায় ৫০ জন ও অন্যটিতে ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র আইনে ২টি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২টি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেয়। এর মধ্যে অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া এবং দুই গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় একই অভিযুক্তদের।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরি) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।