
প্রতিবেদক, বিডিজেন

পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। মাঠের পারফরম্যান্স মন্দ না হলেও টুর্নামেন্টটা শেষ না করেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে। ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতের কারণে পিএসএলই স্থগিত হয়ে গেছে শেষ দিকে এসে। তবে দেশে ফেরার আগে যুদ্ধের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় আতঙ্কময় সময় কেটেছে তাঁর। তবে দেশের ফেরার আগে দুবাই বিমান বন্দরে সংবাদমাধ্যমে যে সাক্ষাৎকারটি রিশাদ দিয়েছেন, সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। সে জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
লাহোর কালান্দার্সে খেলছিলেন রিশাদ। এবারের পিএসএলে রিশাদের সঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলে তাঁর সতীর্থ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। তিনি খেলেছেন পেশোয়ার জালমিতে। ৬ মে দিবাগত রাতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তানের ৯ জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ করে। পাকিস্তানও পাল্টা জবাব দিলে পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকেই গড়ায়। দুই দেশই একে অন্যের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালাতে থাকে। ভারত রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেটে স্টেডিয়ামের পাশেই ড্রোন আক্রমণ চালালে পিএসএল স্থগিত হয়ে যায়। এই স্টেডিয়ামেই শুক্রবার খেলার কথা ছিল রিশাদের লাহোর ও নাহিদ রানার পেশোয়ারের।
ড্রোন আক্রমণের পর পিএসএলের বিদেশি ক্রিকেটাররা স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, তাঁরা যেকোনো মূল্যে নিজ নিজ দেশে ফিরতে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। রিশাদ ও নাহিদ রানাকেও দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দেশে ফেরার সময় পিএসএল কভার করতে যাওয়া দুই বাংলাদেশি সাংবাদিককে একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রিশাদ, সেখানেই তাঁর কিছু মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করে। পিএসএলের বিদেশি ক্রিকেটার স্যাম বিলিংস, ড্যারিল মিচেল, কুশল পেরেরা ও টম কারেনদের নিয়ে ছিল মন্তব্য। তাতে রিশাদ বলেছিলেন, ‘বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে স্যাম বিলিংস, ড্যারিল মিচেল, কুশল পেরেরা, ডেভিড ভিসা, টম কারেন…সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। দুবাইয়ে নামার পর মিচেল আমাকে বলেছে, সে আর কখনো পাকিস্তানে যাবে না। বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে গেছে শুনে টম কারেন আতঙ্কিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এমনই কান্না যে ওকে সামলাতে কয়েকজনকে লেগেছিল।’
বাংলাদেশি ক্রিকেট সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রেই কথা গুলো বলেছিলেন রিশাদ। এতে যে বিতর্কের সৃষ্টি হবে, বিশেষ করে ড্যারিল মিচেল ও টম কারেনের এই ঘটনা ভারতীয় গণমাধ্যম লুফে নেবে, সেটি তিনি বুঝতে পারেননি। ভারতীয় গণমাধ্যম ছাড়াও এটি অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে বিব্রত হয়েছেন কারেন ও মিচেল। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়ে তিনি মিচেল ও কারেনের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন।
রিশাদের কথা, ‘আমি জানতে পেরেছি আমার সম্প্রতি করা কিছু মন্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমের ভুল ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সেই মন্তব্য করেছিলাম। এটাতে পুরো প্রসঙ্গ উঠে আসেনি এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে আবেগকে অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরা হয়েছে।’

পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। মাঠের পারফরম্যান্স মন্দ না হলেও টুর্নামেন্টটা শেষ না করেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে। ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতের কারণে পিএসএলই স্থগিত হয়ে গেছে শেষ দিকে এসে। তবে দেশে ফেরার আগে যুদ্ধের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় আতঙ্কময় সময় কেটেছে তাঁর। তবে দেশের ফেরার আগে দুবাই বিমান বন্দরে সংবাদমাধ্যমে যে সাক্ষাৎকারটি রিশাদ দিয়েছেন, সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। সে জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
লাহোর কালান্দার্সে খেলছিলেন রিশাদ। এবারের পিএসএলে রিশাদের সঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলে তাঁর সতীর্থ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। তিনি খেলেছেন পেশোয়ার জালমিতে। ৬ মে দিবাগত রাতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তানের ৯ জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ করে। পাকিস্তানও পাল্টা জবাব দিলে পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকেই গড়ায়। দুই দেশই একে অন্যের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালাতে থাকে। ভারত রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেটে স্টেডিয়ামের পাশেই ড্রোন আক্রমণ চালালে পিএসএল স্থগিত হয়ে যায়। এই স্টেডিয়ামেই শুক্রবার খেলার কথা ছিল রিশাদের লাহোর ও নাহিদ রানার পেশোয়ারের।
ড্রোন আক্রমণের পর পিএসএলের বিদেশি ক্রিকেটাররা স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, তাঁরা যেকোনো মূল্যে নিজ নিজ দেশে ফিরতে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। রিশাদ ও নাহিদ রানাকেও দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দেশে ফেরার সময় পিএসএল কভার করতে যাওয়া দুই বাংলাদেশি সাংবাদিককে একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রিশাদ, সেখানেই তাঁর কিছু মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করে। পিএসএলের বিদেশি ক্রিকেটার স্যাম বিলিংস, ড্যারিল মিচেল, কুশল পেরেরা ও টম কারেনদের নিয়ে ছিল মন্তব্য। তাতে রিশাদ বলেছিলেন, ‘বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে স্যাম বিলিংস, ড্যারিল মিচেল, কুশল পেরেরা, ডেভিড ভিসা, টম কারেন…সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। দুবাইয়ে নামার পর মিচেল আমাকে বলেছে, সে আর কখনো পাকিস্তানে যাবে না। বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে গেছে শুনে টম কারেন আতঙ্কিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এমনই কান্না যে ওকে সামলাতে কয়েকজনকে লেগেছিল।’
বাংলাদেশি ক্রিকেট সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রেই কথা গুলো বলেছিলেন রিশাদ। এতে যে বিতর্কের সৃষ্টি হবে, বিশেষ করে ড্যারিল মিচেল ও টম কারেনের এই ঘটনা ভারতীয় গণমাধ্যম লুফে নেবে, সেটি তিনি বুঝতে পারেননি। ভারতীয় গণমাধ্যম ছাড়াও এটি অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে বিব্রত হয়েছেন কারেন ও মিচেল। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়ে তিনি মিচেল ও কারেনের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন।
রিশাদের কথা, ‘আমি জানতে পেরেছি আমার সম্প্রতি করা কিছু মন্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমের ভুল ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সেই মন্তব্য করেছিলাম। এটাতে পুরো প্রসঙ্গ উঠে আসেনি এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে আবেগকে অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরা হয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।