
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সাগর উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে হবে ইকো পোর্ট। সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডের পৃথক স্থানে নির্মিত হবে নতুন ফেরিঘাট। এ লক্ষ্যে গঠিত কমিটি গত রোববার পুরো এলাকা পরিদর্শন করে এবং পুরো কার্যক্রমের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখে।
সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপে ফেরি চলাচল ও সন্দ্বীপে প্রস্তাবিত উপকূলীয় বন্দরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে রোববার বেলা ১১টায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের (বিআইডব্লিউটি) পরিচালক (এস্টেট ও আইন) এ কে এম আরিফ উদ্দিন ও একই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ছন্দা পালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ সাগর উপকূল ঘুরে দেখেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের লাখ লাখ মানুষকে চাকরি, চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষাসহ জরুরি কাজে দেশের মূল ভুখণ্ডের সাথে যোগাযোগ করতে হয় প্রতিনিয়ত। কিন্তু এই যোগাযোগ এই যুগেও অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। আর এর মূলে রয়েছে যাত্রাপথ। বিশেষত সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ আসা-যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক নৌযান না থাকা, পর্যাপ্ত জাহাজের সংকট, অনুপযুক্ত ঘাটের কারণে চরম বিড়ম্বনার শিকার হয় দ্বীপ উপজেলার মানুষ। কাদা-পানিতে ভিজে নৌকায় উঠতে হয় অসুস্থ রোগীদেরও।
দিনের পর দিন এই ঘাট সংস্কারসহ যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলা হলেও কার্যত তেমন
কিছুই হয়নি। প্রকল্প পাস হয়ে থাকলেও তা বাস্তবায়নের মুখ দখেনি। রোববার এ কে এম আরিফ উদ্দিন ও ছন্দা পালের নেতৃত্ব প্রতিনিধি দলের সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ সাগর উপকূল পরিদর্শন এবার আশার আলো জাগিয়েছে।
পরিদর্শনের সময় এ দুই কর্মকর্তার সাথে ছিলেন সন্দ্বীপের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ সমন্বয়ক। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কমিটির সদস্যদের স্বাগত জানান। বিএনপির এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জামসেদুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসিরুল কবির, মনির তালুকদার, সন্দ্বীপ পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আহসানুল কবির তালুকদার, বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহসভাপতি আবদুল কাদের শিপন, মো. মিলাদ প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় (বিআইডব্লিউটি) পরিচালক (এস্টেট ও আইন) এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘সাগর উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে হবে ইকো পোর্ট। সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডের পৃথক স্থানে নির্মিত হবে নতুন ফেরিঘাট। এসব কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেছি আমরা। ঊর্ধ্বতন মহলে প্রতিবেদন দেব।’
ফেরিঘাটের স্থান নির্ধারণ দ্রুতই হবে বলেও জানান আরিফ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সাধারণত লবণাক্ত পানিতে আরসিসি করা যায় না। আরসিসি করতে হলে মিঠাপানি নিয়ে আসতে হয়। ফেরিঘাট নির্মাণে উপযুক্ত সাইট সিলেকশনে একাধিকবার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। অতি দ্রুত সাইট সিলেকশন হয়ে যাবে।‘

সাগর উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে হবে ইকো পোর্ট। সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডের পৃথক স্থানে নির্মিত হবে নতুন ফেরিঘাট। এ লক্ষ্যে গঠিত কমিটি গত রোববার পুরো এলাকা পরিদর্শন করে এবং পুরো কার্যক্রমের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখে।
সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপে ফেরি চলাচল ও সন্দ্বীপে প্রস্তাবিত উপকূলীয় বন্দরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে রোববার বেলা ১১টায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের (বিআইডব্লিউটি) পরিচালক (এস্টেট ও আইন) এ কে এম আরিফ উদ্দিন ও একই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ছন্দা পালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ সাগর উপকূল ঘুরে দেখেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের লাখ লাখ মানুষকে চাকরি, চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষাসহ জরুরি কাজে দেশের মূল ভুখণ্ডের সাথে যোগাযোগ করতে হয় প্রতিনিয়ত। কিন্তু এই যোগাযোগ এই যুগেও অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। আর এর মূলে রয়েছে যাত্রাপথ। বিশেষত সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ আসা-যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক নৌযান না থাকা, পর্যাপ্ত জাহাজের সংকট, অনুপযুক্ত ঘাটের কারণে চরম বিড়ম্বনার শিকার হয় দ্বীপ উপজেলার মানুষ। কাদা-পানিতে ভিজে নৌকায় উঠতে হয় অসুস্থ রোগীদেরও।
দিনের পর দিন এই ঘাট সংস্কারসহ যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলা হলেও কার্যত তেমন
কিছুই হয়নি। প্রকল্প পাস হয়ে থাকলেও তা বাস্তবায়নের মুখ দখেনি। রোববার এ কে এম আরিফ উদ্দিন ও ছন্দা পালের নেতৃত্ব প্রতিনিধি দলের সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ সাগর উপকূল পরিদর্শন এবার আশার আলো জাগিয়েছে।
পরিদর্শনের সময় এ দুই কর্মকর্তার সাথে ছিলেন সন্দ্বীপের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ সমন্বয়ক। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কমিটির সদস্যদের স্বাগত জানান। বিএনপির এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জামসেদুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসিরুল কবির, মনির তালুকদার, সন্দ্বীপ পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আহসানুল কবির তালুকদার, বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহসভাপতি আবদুল কাদের শিপন, মো. মিলাদ প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় (বিআইডব্লিউটি) পরিচালক (এস্টেট ও আইন) এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘সাগর উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে হবে ইকো পোর্ট। সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডের পৃথক স্থানে নির্মিত হবে নতুন ফেরিঘাট। এসব কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেছি আমরা। ঊর্ধ্বতন মহলে প্রতিবেদন দেব।’
ফেরিঘাটের স্থান নির্ধারণ দ্রুতই হবে বলেও জানান আরিফ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সাধারণত লবণাক্ত পানিতে আরসিসি করা যায় না। আরসিসি করতে হলে মিঠাপানি নিয়ে আসতে হয়। ফেরিঘাট নির্মাণে উপযুক্ত সাইট সিলেকশনে একাধিকবার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। অতি দ্রুত সাইট সিলেকশন হয়ে যাবে।‘
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।