

বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কারারুদ্ধ ও সাজাপ্রাপ্ত প্রবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে প্রবাসীদের জন্য কাজ করা অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনআরবি।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরী বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও যোগাযোগ আরব আমিরাতে কারারুদ্ধ প্রবাসীদের মুক্ত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশে ফেরত আসা কারামুক্ত প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে অনেক প্রবাসী আটক আছেন। তারা কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এরা মুক্ত হতে পারছেন না।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এসব প্রবাসীর মুক্তির ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান সেকিল চৌধুরী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কারারুদ্ধ ও সাজাপ্রাপ্ত প্রবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ায় অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে প্রবাসীদের জন্য কাজ করা অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনআরবি।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরী বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও যোগাযোগ আরব আমিরাতে কারারুদ্ধ প্রবাসীদের মুক্ত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশে ফেরত আসা কারামুক্ত প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে অনেক প্রবাসী আটক আছেন। তারা কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এরা মুক্ত হতে পারছেন না।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এসব প্রবাসীর মুক্তির ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান সেকিল চৌধুরী।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।