
বিডিজেন ডেস্ক

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাপকহারে বেড়েছে। প্রবাসীরা এক মাসে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২৪০ কোটি (ইউএস) ডলার পাঠিয়েছেন। যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ৮০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
এর আগের অর্থবছরের একই মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৩৩ কোটি ডলার। এছাড়া চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫ অর্থবছর) সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের মাসের জুলাইয়ের তুলনায় ১৮ কোটি ডলার বেড়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স এসেছে ৬৫৪ কোটি ডলার, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৯০ কোটি ডলার।
গত অর্থবছরে (২০২৩-২৪ অর্থবছর) প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৩৯২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। আর প্রবাসীরা রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২০২০-২১ অর্থবছরে। ওই বছর রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাপকহারে বেড়েছে। প্রবাসীরা এক মাসে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২৪০ কোটি (ইউএস) ডলার পাঠিয়েছেন। যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ৮০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
এর আগের অর্থবছরের একই মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৩৩ কোটি ডলার। এছাড়া চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫ অর্থবছর) সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের মাসের জুলাইয়ের তুলনায় ১৮ কোটি ডলার বেড়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স এসেছে ৬৫৪ কোটি ডলার, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৯০ কোটি ডলার।
গত অর্থবছরে (২০২৩-২৪ অর্থবছর) প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৩৯২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। আর প্রবাসীরা রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২০২০-২১ অর্থবছরে। ওই বছর রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”