
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে আনন্দধারা আর্টস বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করেছে বাংলা নববর্ষ। এবারের বর্ষবরণ উৎসব শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। পুর্ব লন্ডনের রেডব্রিজ মেথোডিস্ট চার্চ মিলনায়তনে গত ১৮ এপ্রিল প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনের পুরো সময়জুড়ে উপচেপড়া দর্শক শ্রোতার প্রাণবন্ত উপস্থিতি জানান দিয়েছে মানুষের সাথে মিলিত হবার এই সর্বজনীন উৎসব এখনো বাঙালির প্রাণের উৎসব।

আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ডা. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। কোনো অশুভ শক্তি চাইলেই একে নষ্ট করে দিতে পারে না।”

অনুষ্ঠানে আনন্দধারা আর্টসের শিশুদের গান ও আবৃত্তি পরিবেশনা সাজানো হয়েছিল ‘ষড়ঋতু’–কে কেন্দ্র করে। আবৃত্তি সংগঠন ‘বর্ণন’ ও রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মৃত্তিকা সহিতার পরিবেশনা এই আয়োজনকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

সব শেষে আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীদের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশনা ছিল মনোমুগ্ধকর। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন—কি বোর্ড প্রীতম সাহা, গিটার-অমি ইসলাম, অক্টোপাড-তানিম ও তবলায় পিয়াস বড়ুয়া। শব্দ সঞ্চালনায় ইয়াসিন কীর্তি ও মঞ্চসজ্জায় ছিলেন গোলাম আকবর মুক্তা।

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন এবং এর পরিচালক জয়দীপ রায়।
সকলের জন্য মঙ্গলময় ১৪৩৩ কামনা করে এই উৎসবের সমাপ্তি হয়। বিজ্ঞপ্তি

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে আনন্দধারা আর্টস বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করেছে বাংলা নববর্ষ। এবারের বর্ষবরণ উৎসব শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। পুর্ব লন্ডনের রেডব্রিজ মেথোডিস্ট চার্চ মিলনায়তনে গত ১৮ এপ্রিল প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনের পুরো সময়জুড়ে উপচেপড়া দর্শক শ্রোতার প্রাণবন্ত উপস্থিতি জানান দিয়েছে মানুষের সাথে মিলিত হবার এই সর্বজনীন উৎসব এখনো বাঙালির প্রাণের উৎসব।

আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ডা. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। কোনো অশুভ শক্তি চাইলেই একে নষ্ট করে দিতে পারে না।”

অনুষ্ঠানে আনন্দধারা আর্টসের শিশুদের গান ও আবৃত্তি পরিবেশনা সাজানো হয়েছিল ‘ষড়ঋতু’–কে কেন্দ্র করে। আবৃত্তি সংগঠন ‘বর্ণন’ ও রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মৃত্তিকা সহিতার পরিবেশনা এই আয়োজনকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

সব শেষে আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীদের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশনা ছিল মনোমুগ্ধকর। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন—কি বোর্ড প্রীতম সাহা, গিটার-অমি ইসলাম, অক্টোপাড-তানিম ও তবলায় পিয়াস বড়ুয়া। শব্দ সঞ্চালনায় ইয়াসিন কীর্তি ও মঞ্চসজ্জায় ছিলেন গোলাম আকবর মুক্তা।

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন এবং এর পরিচালক জয়দীপ রায়।
সকলের জন্য মঙ্গলময় ১৪৩৩ কামনা করে এই উৎসবের সমাপ্তি হয়। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে