
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক অভ্যর্থনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলের শীষমহল বলরুমে এই অভ্যর্থনা ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ও তার সহধর্মিনী নাহিদ রওশন এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
বাংলাদেশের হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণাবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেন প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া, সিনেটর ও জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, প্রবাসী বাংলাদেশি সমন্বয়ে প্রায় ৭০০ অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানস্থল বাংলাদেশের আর্থ–সামাজিক অগ্রগতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পর্যটন ও কৃষ্টি তুলে ধরে ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ, লোকজশিল্প পণ্য, ফুল ও আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়। অতিথিবর্গ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সমৃদ্ধ ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ ও ভিডিও ইত্যাদি অত্যন্ত আগ্রহ–সহকারে দেখেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যকার সরাসরি বিমান ও জাহাজ চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি, জ্বালানীখাতে সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় বন্ধু প্রতীম দেশসমূহের সাথে সম্পর্ক জোরদারে তৎপর রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসঙ্গের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সকলের সমর্থন চান।
হাইকমিশনার বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার শান্তিপ্রিয় উল্লেখ করে দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সকল প্রকার যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করে বিশ্ববাসীকে বিপদমুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণাবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সাথে নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী খাবারসহ নানারকম সুস্বাদু খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক অভ্যর্থনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলের শীষমহল বলরুমে এই অভ্যর্থনা ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ও তার সহধর্মিনী নাহিদ রওশন এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তারা অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
বাংলাদেশের হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণাবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেন প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া, সিনেটর ও জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, প্রবাসী বাংলাদেশি সমন্বয়ে প্রায় ৭০০ অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানস্থল বাংলাদেশের আর্থ–সামাজিক অগ্রগতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পর্যটন ও কৃষ্টি তুলে ধরে ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ, লোকজশিল্প পণ্য, ফুল ও আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়। অতিথিবর্গ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সমৃদ্ধ ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ ও ভিডিও ইত্যাদি অত্যন্ত আগ্রহ–সহকারে দেখেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যকার সরাসরি বিমান ও জাহাজ চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি, জ্বালানীখাতে সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় বন্ধু প্রতীম দেশসমূহের সাথে সম্পর্ক জোরদারে তৎপর রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসঙ্গের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সকলের সমর্থন চান।
হাইকমিশনার বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার শান্তিপ্রিয় উল্লেখ করে দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সকল প্রকার যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করে বিশ্ববাসীকে বিপদমুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণাবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সাথে নিয়ে হাইকমিশনার কেক কাটেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী খাবারসহ নানারকম সুস্বাদু খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে