

ফারজানা নাজ শম্পা, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, কানাডা

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা অভ্র প্রকাশন। প্রতিষ্ঠানটি এবার আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, কানাডার টরন্টো ও যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য বাংলা বইমেলায় তাদের প্রকাশিত বই নিয়ে উপস্থিত থাকবে।
জানা গেছে, ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা, ২০তম টরন্টো বাংলা বইমেলা এবং লন্ডনে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলায় অভ্র প্রকাশন অংশ নিচ্ছে। এসব মেলায় প্রকাশনাটির নতুন প্রকাশনা ও জনপ্রিয় বইসমূহ প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রাখা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২-২৫ মে নিউইয়র্কের জ্যামাইকা অ্যাভিনিউয়ের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্ট সেন্টারে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে।
কানাডার টরন্টোতে ৩০ ও ৩১ মে জেইন সোসাইটি অব টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হবে ২০তম বাংলা বইমেলা।
আর ২৭ ও ২৮ জুন লন্ডনের ব্র্যাডি আর্টস অ্যান্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্দশ বাংলা বইমেলা।
তিন মেলাতেই অংশ নেবে অভ্র প্রকাশন।

প্রকাশনা সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বায়নে আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে দেশের সাহিত্য পৌঁছে দিতে মেলাগুলোতে অংশগ্রহন করছে অভ্র প্রকাশন।
এই তিনটি আন্তর্জাতিক বইমেলায় অভ্র প্রকাশন তাদের সাম্প্রতিক প্রকাশনা, নির্বাচিত সাহিত্যকর্ম এবং বহুলপঠিত জনপ্রিয় বইসমূহ প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন করবে। এর পাশাপাশি প্রবাসী পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন, তাদের পাঠরুচি ও চাহিদা অনুধাবন এবং বৈশ্বিক পাঠকবাজারে বাংলা বইয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
প্রকাশনা সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান অপূর্ব শর্মা বলেন, আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো কেবল বই বিক্রির পরিসর নয়; বরং এগুলো প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া, মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ সৃষ্টি করা এবং তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখাই সংস্থাটির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, অভ্র প্রকাশন ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে মানসম্মত প্রকাশনার জন্য পাঠকমহলে আস্থা অর্জন করেছে। এবারের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা বইয়ের প্রচার-প্রসারে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা অভ্র প্রকাশন। প্রতিষ্ঠানটি এবার আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, কানাডার টরন্টো ও যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য বাংলা বইমেলায় তাদের প্রকাশিত বই নিয়ে উপস্থিত থাকবে।
জানা গেছে, ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা, ২০তম টরন্টো বাংলা বইমেলা এবং লন্ডনে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলায় অভ্র প্রকাশন অংশ নিচ্ছে। এসব মেলায় প্রকাশনাটির নতুন প্রকাশনা ও জনপ্রিয় বইসমূহ প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রাখা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২-২৫ মে নিউইয়র্কের জ্যামাইকা অ্যাভিনিউয়ের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্ট সেন্টারে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে।
কানাডার টরন্টোতে ৩০ ও ৩১ মে জেইন সোসাইটি অব টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হবে ২০তম বাংলা বইমেলা।
আর ২৭ ও ২৮ জুন লন্ডনের ব্র্যাডি আর্টস অ্যান্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্দশ বাংলা বইমেলা।
তিন মেলাতেই অংশ নেবে অভ্র প্রকাশন।

প্রকাশনা সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বায়নে আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে দেশের সাহিত্য পৌঁছে দিতে মেলাগুলোতে অংশগ্রহন করছে অভ্র প্রকাশন।
এই তিনটি আন্তর্জাতিক বইমেলায় অভ্র প্রকাশন তাদের সাম্প্রতিক প্রকাশনা, নির্বাচিত সাহিত্যকর্ম এবং বহুলপঠিত জনপ্রিয় বইসমূহ প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন করবে। এর পাশাপাশি প্রবাসী পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন, তাদের পাঠরুচি ও চাহিদা অনুধাবন এবং বৈশ্বিক পাঠকবাজারে বাংলা বইয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
প্রকাশনা সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান অপূর্ব শর্মা বলেন, আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো কেবল বই বিক্রির পরিসর নয়; বরং এগুলো প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সাহিত্য পৌঁছে দেওয়া, মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ সৃষ্টি করা এবং তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখাই সংস্থাটির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, অভ্র প্রকাশন ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে মানসম্মত প্রকাশনার জন্য পাঠকমহলে আস্থা অর্জন করেছে। এবারের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা বইয়ের প্রচার-প্রসারে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে