
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সি ফর চাটগাঁর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী চট্টগ্রামের বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চাটগাঁ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় সি ফর চাটগাঁর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে আমন্ত্রিত অর্ধশতাধিক চট্টগ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সি ফর চাটগাঁর পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাজিম উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন সচিব সামির হোসাইন।
পরে উপস্থিত সবাই সি ফর চাটগাঁ ভবনের ভেতর ও বাইরের অংশ ঘুরে ঘুরে দেখেন।
সভার দ্বিতীয় পর্বে সি ফর চাটগাঁর গত বছরের বার্ষিক রিপোর্টের কপি বিতরণ করা হয়। পরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সি ফর চাটগাঁর পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ।
বক্তারা সবাই যুক্তরাজ্য বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের স্বপ্ন পূরণে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
সি ফর চাটগাঁ ভবন বিলেতের মাটিতে চট্টগ্রামবাসীর একটি স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন। এর মধ্য দিয়ে লন্ডনে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন পুরণ হয়েছে। যা বিলেতে চট্টগ্রামবাসীদের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কেনা প্রথম স্থায়ী নিজস্ব সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
২০২৩ সালে চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন সি ফর চাটগাঁ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেন। অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই চাটগাঁবাসীদের সঙ্গে নিয়েই প্রায় দেড় মিলিয়ন পাউন্ডে কেনা হয় এই সি ফর চাটগাঁ ভবন। এটাই হচ্ছে বিলেতের মাটিতে চট্টগ্রামবাসীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কেনা প্রথম সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সি ফর চাটগাঁর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী চট্টগ্রামের বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চাটগাঁ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় সি ফর চাটগাঁর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে আমন্ত্রিত অর্ধশতাধিক চট্টগ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সি ফর চাটগাঁর পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাজিম উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন সচিব সামির হোসাইন।
পরে উপস্থিত সবাই সি ফর চাটগাঁ ভবনের ভেতর ও বাইরের অংশ ঘুরে ঘুরে দেখেন।
সভার দ্বিতীয় পর্বে সি ফর চাটগাঁর গত বছরের বার্ষিক রিপোর্টের কপি বিতরণ করা হয়। পরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সি ফর চাটগাঁর পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ।
বক্তারা সবাই যুক্তরাজ্য বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের স্বপ্ন পূরণে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
সি ফর চাটগাঁ ভবন বিলেতের মাটিতে চট্টগ্রামবাসীর একটি স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন। এর মধ্য দিয়ে লন্ডনে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন পুরণ হয়েছে। যা বিলেতে চট্টগ্রামবাসীদের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কেনা প্রথম স্থায়ী নিজস্ব সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
২০২৩ সালে চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন সি ফর চাটগাঁ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেন। অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই চাটগাঁবাসীদের সঙ্গে নিয়েই প্রায় দেড় মিলিয়ন পাউন্ডে কেনা হয় এই সি ফর চাটগাঁ ভবন। এটাই হচ্ছে বিলেতের মাটিতে চট্টগ্রামবাসীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কেনা প্রথম সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে