
প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল করেছে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া।
গত রোববার (১ মার্চ) কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকোলেট রেস্টুরেন্টে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইফতার মাহফিলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।

ইফতারের আগে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি ফজলে নুর বাপ্পি, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দীন সিআইপি ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সহসভাপতি আব্বাস হোসেন, জসীম উদ্দীন, হারুন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, এহসানুল হক, ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন খান, তারেক সালাম, নঈম উদ্দিন সুমন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মনির উদ্দীন, আজিজুল হক, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাহিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস,মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, জহির উদ্দিন বাবর, জাকারিয়া ফারুকী, মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিপু, জাকারিয়া রুবেল, আলী হায়দার মানিক, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুম, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আরাফাত, মোহাম্মদ সামাদ, ফোরকান শাহ, আবদুর শুক্কুর, মোস্তাকিম জনি প্রমুখ।

ইফতার পূর্ব সভায় সভাপতি ইসকান্দর মনি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত বছরে সম্পন্ন করা প্রবাসীদের কল্যাণে ও মানবসেবামূলক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন।
মাহফিলে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ও মুসলিম বিশ্বের শান্তি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল করেছে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়া।
গত রোববার (১ মার্চ) কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকোলেট রেস্টুরেন্টে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইফতার মাহফিলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।

ইফতারের আগে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি ফজলে নুর বাপ্পি, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দীন সিআইপি ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সহসভাপতি আব্বাস হোসেন, জসীম উদ্দীন, হারুন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, এহসানুল হক, ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন খান, তারেক সালাম, নঈম উদ্দিন সুমন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মনির উদ্দীন, আজিজুল হক, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাহিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস,মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, জহির উদ্দিন বাবর, জাকারিয়া ফারুকী, মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিপু, জাকারিয়া রুবেল, আলী হায়দার মানিক, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুম, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আরাফাত, মোহাম্মদ সামাদ, ফোরকান শাহ, আবদুর শুক্কুর, মোস্তাকিম জনি প্রমুখ।

ইফতার পূর্ব সভায় সভাপতি ইসকান্দর মনি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত বছরে সম্পন্ন করা প্রবাসীদের কল্যাণে ও মানবসেবামূলক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন।
মাহফিলে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ও মুসলিম বিশ্বের শান্তি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে