
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করা হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। বর্ষবরণ উপলক্ষে গত ১৮ এপ্রিল (শনিবার) বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন, ক্যানবেরার উদ্যোগে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণের সূচনা হয়। মেলা প্রাঙ্গণে ছিল দেশীয় খাবার ও পোশাকের হরেক রকমের স্টল। বিদেশের মাটিতে দেশীয় আমেজ তৈরি করতে শিশুদের জন্য ছিল বিশেষ আয়োজন। ইনডোর হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের গান, নাচ ও কবিতা আবৃত্তি দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনীতিকেরাও উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিউটন মহুরী জানান, প্রবাসীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই মেলা আয়োজন করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় উৎসবমুখর পরিবেশে বরণ করা হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। বর্ষবরণ উপলক্ষে গত ১৮ এপ্রিল (শনিবার) বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশন, ক্যানবেরার উদ্যোগে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণের সূচনা হয়। মেলা প্রাঙ্গণে ছিল দেশীয় খাবার ও পোশাকের হরেক রকমের স্টল। বিদেশের মাটিতে দেশীয় আমেজ তৈরি করতে শিশুদের জন্য ছিল বিশেষ আয়োজন। ইনডোর হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের গান, নাচ ও কবিতা আবৃত্তি দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনীতিকেরাও উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিউটন মহুরী জানান, প্রবাসীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই মেলা আয়োজন করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে