

বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ঈদ মেলা ২০২৬।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) জামাইকার অঙ্গন পার্টি হলে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, কালার ফুল ইউএসএ, সুমিস কালেকশনস ও রোজি বুটিকসের যৌথ আয়োজনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুল উপস্থিতিতে পুরো মিলনায়তন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর মিলনমেলায়।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের।

তিনি আয়োজকদের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসে এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক আয়োজন শুধু আনন্দের উপলক্ষ নয়, বরং এটি কমিউনিটির মধ্যে সংযোগ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ শরীফ, শিল্পপতি গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, বাচিক শিল্পী ডা. ফারুক আজম, উদ্যোক্তা নাছিমা আক্তার নিশা, সুমি রায় ও রোজি।
তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রবাসে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এমন প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ এটি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি নিজেদের পরিচিতি বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়।

অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনায় ছিলেন মনজুরুল হক। তার প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মেলার প্রতিটি পর্ব হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। দিনজুড়ে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত পরিবেশনা, নৃত্য এবং নানা বিনোদনমূলক আয়োজন। শিশু-কিশোর ও পরিবারকেন্দ্রিক বিভিন্ন আয়োজনের কারণে পুরো অনুষ্ঠানস্থলজুড়ে ছিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের আবহ।
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা দেশীয় পোশাক, অলংকার, হস্তশিল্প, প্রসাধনী এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আকর্ষণীয় পসরা সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন কাড়েন। উদ্যোক্তারা জানান, এমন আয়োজন তাদের ব্যবসায়িক পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রবাসী ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়।

শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ফ্যাশন শো এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অঙ্গন পার্টি হলের সিইও মোহাম্মদ হোসেন ইশতিয়াক ও তার সহধর্মিনী। শিশুদের উচ্ছ্বাস ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এই পর্বটি বিশেষভাবে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের মেলার মাধ্যমে শুধু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাই লাভবান হন না, বরং কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের সংস্কৃতির সংযোগ তৈরি হয়। প্রবাসে এমন সব ইতিবাচক উদ্যোগের পাশে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সবসময় থাকবে।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। দিনব্যাপী সফল এই আয়োজন শেষে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীরা এমন আয়োজনকে নিয়মিত করার আহ্বান জানান।
প্রবাসে ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলতে এবং কমিউনিটিকে একত্রিত করতে এই ঈদ মেলা নিঃসন্দেহে একটি সফল ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে জায়গা করে নিল নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের হৃদয়ে।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ঈদ মেলা ২০২৬।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) জামাইকার অঙ্গন পার্টি হলে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, কালার ফুল ইউএসএ, সুমিস কালেকশনস ও রোজি বুটিকসের যৌথ আয়োজনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুল উপস্থিতিতে পুরো মিলনায়তন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর মিলনমেলায়।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের।

তিনি আয়োজকদের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসে এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক আয়োজন শুধু আনন্দের উপলক্ষ নয়, বরং এটি কমিউনিটির মধ্যে সংযোগ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ শরীফ, শিল্পপতি গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, বাচিক শিল্পী ডা. ফারুক আজম, উদ্যোক্তা নাছিমা আক্তার নিশা, সুমি রায় ও রোজি।
তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রবাসে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এমন প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ এটি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি নিজেদের পরিচিতি বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়।

অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনায় ছিলেন মনজুরুল হক। তার প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মেলার প্রতিটি পর্ব হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। দিনজুড়ে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত পরিবেশনা, নৃত্য এবং নানা বিনোদনমূলক আয়োজন। শিশু-কিশোর ও পরিবারকেন্দ্রিক বিভিন্ন আয়োজনের কারণে পুরো অনুষ্ঠানস্থলজুড়ে ছিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের আবহ।
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা দেশীয় পোশাক, অলংকার, হস্তশিল্প, প্রসাধনী এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আকর্ষণীয় পসরা সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন কাড়েন। উদ্যোক্তারা জানান, এমন আয়োজন তাদের ব্যবসায়িক পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রবাসী ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়।

শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ফ্যাশন শো এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অঙ্গন পার্টি হলের সিইও মোহাম্মদ হোসেন ইশতিয়াক ও তার সহধর্মিনী। শিশুদের উচ্ছ্বাস ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এই পর্বটি বিশেষভাবে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের মেলার মাধ্যমে শুধু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাই লাভবান হন না, বরং কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের সংস্কৃতির সংযোগ তৈরি হয়। প্রবাসে এমন সব ইতিবাচক উদ্যোগের পাশে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সবসময় থাকবে।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রধান ও বিশেষ অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। দিনব্যাপী সফল এই আয়োজন শেষে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীরা এমন আয়োজনকে নিয়মিত করার আহ্বান জানান।
প্রবাসে ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলতে এবং কমিউনিটিকে একত্রিত করতে এই ঈদ মেলা নিঃসন্দেহে একটি সফল ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে জায়গা করে নিল নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের হৃদয়ে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে