
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাজধানী আবুধাবিতে ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) আবুধাবি ওভারসিস চ্যাপ্টারের উদ্যোগে সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতের নোভেল হোটেলে এই সভা ও নৈশভোজ আয়োজন করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সম্পাদক করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

উপস্থিত আইইবি আবুধাবী ওভারসিজ চ্যাপ্টারের সকল সদস্যদের কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে কমিটি গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খান। বক্তব্য দেন প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার, প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম ও প্রকৌশলী বিকু রায় প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সেক্রেটারি করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

পরে উপস্থিত আইইবি আবুধাবী ওভারসিজ চ্যাপ্টারের সকল সদস্যদের কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, আবুধাবিতে বসবাস করেন ২০০–এর বেশি প্রকৌশলী। তাদের অনেকেই আইইবির ফেলো, মেম্বার ও অসোসিয়েট মেম্বার। গত ১৬ মার্চ আইইবির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের ৬৫২তম সভায় অনুমোদন পায় আইইবি আবুধাবি ওভারসিস চ্যাপ্টার ইউএই নামের এ সংগঠনটি। ফলে আমিরাতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের উপযোগী পরিবেশ উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাজধানী আবুধাবিতে ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) আবুধাবি ওভারসিস চ্যাপ্টারের উদ্যোগে সভা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতের নোভেল হোটেলে এই সভা ও নৈশভোজ আয়োজন করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সম্পাদক করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

উপস্থিত আইইবি আবুধাবী ওভারসিজ চ্যাপ্টারের সকল সদস্যদের কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে কমিটি গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খান। বক্তব্য দেন প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার, প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম ও প্রকৌশলী বিকু রায় প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সেক্রেটারি করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

পরে উপস্থিত আইইবি আবুধাবী ওভারসিজ চ্যাপ্টারের সকল সদস্যদের কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, আবুধাবিতে বসবাস করেন ২০০–এর বেশি প্রকৌশলী। তাদের অনেকেই আইইবির ফেলো, মেম্বার ও অসোসিয়েট মেম্বার। গত ১৬ মার্চ আইইবির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের ৬৫২তম সভায় অনুমোদন পায় আইইবি আবুধাবি ওভারসিস চ্যাপ্টার ইউএই নামের এ সংগঠনটি। ফলে আমিরাতে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের উপযোগী পরিবেশ উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে