
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য এবারের ঈদুল আজহায় দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন—‘সোনালী সন্ধ্যা’ কনসার্ট।
আগামী ২৪ মে (রোববার) কুয়ালালামপুরের মালুরির মিনারা পিজিআরএম টাওয়ার ২-এ অনুষ্ঠিত হবে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
আয়োজকেরা জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই জমকালো অনুষ্ঠান। এমএস গোল্ড প্রেজেন্টস সোনালী সন্ধ্যা পাওয়ারড বাই সোনালী জুয়েলস' শিরোনামে আয়োজিত এই কনসার্টে এক মঞ্চে মিলবে গান, নাচ ও লাইভ ডিজে পারফরমেন্সের এক অনন্য সমন্বয়।
এই আয়োজন পরিচালনা করছে এনএস ইউনিক গ্লোবাল এসডিএন বিএইচডি। আর আয়োজক হিসেবে রয়েছেন মুহাম্মদ আলামিন সরকার, শারমিন রহমান ও সাদিয়া রহমান।
শারমিন রহমান জানান, অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান, জেফার ও প্রতীক হাসান। পাশাপাশি নৃত্যে অংশ নেবেন পূজা চেরি ও তমা মির্জা। সঞ্চালনা থাকছেন রাফসান ও তাবাসসুম প্রিয়াঙ্কা এবং ডিজে আভিলার লাইভ বিট পুরো আয়োজনকে দেবে একটি আধুনিক ফেস্টিভ্যাল আমেজ।
আয়োজকদের মতে, ‘সোনালী সন্ধ্যা’ শুধুমাত্র একটি কনসার্ট নয়, বরং এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি আবেগঘন মিলনমেলা রূপ নেবে।
আয়োজক মুহাম্মদ আলামিন সরকার বলেন, “প্রবাসে ঈদুল আজহার আনন্দকে আমরা আরও বড় পরিসরে উদ্যাপন করতে চাই। সোনালী সন্ধ্যা সেই প্রচেষ্টারই অংশ, যেখানে সবাই একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারবেন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারবেন।”
সহ-আয়োজক শারমিন রহমান বলেন, “আমরা চাচ্ছি, একটি ভিন্নধর্মী আয়োজন করতে, যেখানে গান, নাচ ও লাইভ ডিজের সমন্বয়ে দর্শকরা একটি সম্পূর্ণ বিনোদন অভিজ্ঞতা পাবেন। এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি প্রবাসীদের জন্য একটি অনুভূতির জায়গা।”
অনুষ্ঠান সমন্বয়ক সাদিয়া রহমান বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা প্রবাসী কমিউনিটির মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও একাত্মতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে চাই। সোনালী সন্ধ্যা হবে সবার জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।”
সোনালী সন্ধ্যা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য টিকিট সংগ্রহ করা যাবে অনলাইনে Ticket2U-এর মাধ্যমে। এ ছাড়া কুয়ালালামপুরে হাংতুয়া, পুডু, বুকিত বিনতাং, কোতারায়া ও মসজিদ ইন্ডিয়া এলাকায় বাংলাদেশি দোকান থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য এবারের ঈদুল আজহায় দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন—‘সোনালী সন্ধ্যা’ কনসার্ট।
আগামী ২৪ মে (রোববার) কুয়ালালামপুরের মালুরির মিনারা পিজিআরএম টাওয়ার ২-এ অনুষ্ঠিত হবে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
আয়োজকেরা জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই জমকালো অনুষ্ঠান। এমএস গোল্ড প্রেজেন্টস সোনালী সন্ধ্যা পাওয়ারড বাই সোনালী জুয়েলস' শিরোনামে আয়োজিত এই কনসার্টে এক মঞ্চে মিলবে গান, নাচ ও লাইভ ডিজে পারফরমেন্সের এক অনন্য সমন্বয়।
এই আয়োজন পরিচালনা করছে এনএস ইউনিক গ্লোবাল এসডিএন বিএইচডি। আর আয়োজক হিসেবে রয়েছেন মুহাম্মদ আলামিন সরকার, শারমিন রহমান ও সাদিয়া রহমান।
শারমিন রহমান জানান, অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান, জেফার ও প্রতীক হাসান। পাশাপাশি নৃত্যে অংশ নেবেন পূজা চেরি ও তমা মির্জা। সঞ্চালনা থাকছেন রাফসান ও তাবাসসুম প্রিয়াঙ্কা এবং ডিজে আভিলার লাইভ বিট পুরো আয়োজনকে দেবে একটি আধুনিক ফেস্টিভ্যাল আমেজ।
আয়োজকদের মতে, ‘সোনালী সন্ধ্যা’ শুধুমাত্র একটি কনসার্ট নয়, বরং এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি আবেগঘন মিলনমেলা রূপ নেবে।
আয়োজক মুহাম্মদ আলামিন সরকার বলেন, “প্রবাসে ঈদুল আজহার আনন্দকে আমরা আরও বড় পরিসরে উদ্যাপন করতে চাই। সোনালী সন্ধ্যা সেই প্রচেষ্টারই অংশ, যেখানে সবাই একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারবেন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারবেন।”
সহ-আয়োজক শারমিন রহমান বলেন, “আমরা চাচ্ছি, একটি ভিন্নধর্মী আয়োজন করতে, যেখানে গান, নাচ ও লাইভ ডিজের সমন্বয়ে দর্শকরা একটি সম্পূর্ণ বিনোদন অভিজ্ঞতা পাবেন। এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি প্রবাসীদের জন্য একটি অনুভূতির জায়গা।”
অনুষ্ঠান সমন্বয়ক সাদিয়া রহমান বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা প্রবাসী কমিউনিটির মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও একাত্মতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে চাই। সোনালী সন্ধ্যা হবে সবার জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।”
সোনালী সন্ধ্যা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য টিকিট সংগ্রহ করা যাবে অনলাইনে Ticket2U-এর মাধ্যমে। এ ছাড়া কুয়ালালামপুরে হাংতুয়া, পুডু, বুকিত বিনতাং, কোতারায়া ও মসজিদ ইন্ডিয়া এলাকায় বাংলাদেশি দোকান থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে