
বিডিজেন ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে এনটিইউসি ‘পার্টনার অব দ্য লেবার মুভমেন্ট’ মে ডে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. মেহেদী হাসান।
সিঙ্গাপুরের অর্কিড কান্ট্রি ক্লাবের গ্রান্ড বলরুমে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এনটিইউসির মহাসচিব এনজি চি মেং-এর কাছ থেকে তিনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মো. মেহেদী হাসান ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও গ্রামের মৃত মো. মজনু মিয়ার ছেলে।
তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এমডব্লিউসি সদস্যপদ প্রচারের বাইরেও ফেয়ারপ্রাইস, পিপলস অ্যাসোসিয়েশন, সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্স, ডরমিটরি অপারেটর, দাতব্য সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বের মাধ্যমে এমডব্লিউসির কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। এ ছাড়া, তিনি সহকর্মীদেরও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ সেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের উন্নয়নে উৎসাহিত করেন।
সিঙ্গাপুরে প্রতারণা সম্পর্কে সচেতনতা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনায় সহায়তার মাধ্যমগুলোর ওপর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা অভিবাসী কর্মীদের মাঝে তুলে ধরেন। এ ছাড়াও, তিনি সিঙ্গাপুরের নিয়মকানুন সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। একইসঙ্গে সহজলভ্য প্রবক্তা হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি এমডব্লিউসির একজন বলিষ্ঠ সমর্থক। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মেহেদী হাসান বলেন, প্রবাসের মাটিতে যেকোনো পুরস্কার স্বপ্নের মতো। এই পুরস্কারের মাধ্যমে আমার আরও বেশি দায়িত্ব বেড়ে গেল। আগামীতে আমি আরও বেশি দায়িত্বশীল ও কঠোর পরিশ্রমী হয়ে অভিবাসী কর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশক হিসাবে কাজ করব। একইসঙ্গে আমার এই অর্জন সিঙ্গাপুরের মাটিতে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে।
মেহেদী হাসানের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং সহজ–সরল স্বভাবের কারণে অভিবাসী কর্মীরা তার কাছ থেকে সঠিক নির্দেশনা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে সর্বপ্রথম ২০২৫ সালে এনটিইউসির পার্টনার অব দ্য লেবার মুভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার মহাজনপুর গ্রামের সুমন বিশ্বাস।

সিঙ্গাপুরে এনটিইউসি ‘পার্টনার অব দ্য লেবার মুভমেন্ট’ মে ডে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি মো. মেহেদী হাসান।
সিঙ্গাপুরের অর্কিড কান্ট্রি ক্লাবের গ্রান্ড বলরুমে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এনটিইউসির মহাসচিব এনজি চি মেং-এর কাছ থেকে তিনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মো. মেহেদী হাসান ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও গ্রামের মৃত মো. মজনু মিয়ার ছেলে।
তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এমডব্লিউসি সদস্যপদ প্রচারের বাইরেও ফেয়ারপ্রাইস, পিপলস অ্যাসোসিয়েশন, সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্স, ডরমিটরি অপারেটর, দাতব্য সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বের মাধ্যমে এমডব্লিউসির কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। এ ছাড়া, তিনি সহকর্মীদেরও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ সেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের উন্নয়নে উৎসাহিত করেন।
সিঙ্গাপুরে প্রতারণা সম্পর্কে সচেতনতা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনায় সহায়তার মাধ্যমগুলোর ওপর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা অভিবাসী কর্মীদের মাঝে তুলে ধরেন। এ ছাড়াও, তিনি সিঙ্গাপুরের নিয়মকানুন সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। একইসঙ্গে সহজলভ্য প্রবক্তা হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি এমডব্লিউসির একজন বলিষ্ঠ সমর্থক। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মেহেদী হাসান বলেন, প্রবাসের মাটিতে যেকোনো পুরস্কার স্বপ্নের মতো। এই পুরস্কারের মাধ্যমে আমার আরও বেশি দায়িত্ব বেড়ে গেল। আগামীতে আমি আরও বেশি দায়িত্বশীল ও কঠোর পরিশ্রমী হয়ে অভিবাসী কর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশক হিসাবে কাজ করব। একইসঙ্গে আমার এই অর্জন সিঙ্গাপুরের মাটিতে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে।
মেহেদী হাসানের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং সহজ–সরল স্বভাবের কারণে অভিবাসী কর্মীরা তার কাছ থেকে সঠিক নির্দেশনা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে সর্বপ্রথম ২০২৫ সালে এনটিইউসির পার্টনার অব দ্য লেবার মুভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার মহাজনপুর গ্রামের সুমন বিশ্বাস।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে