
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত চাঁদপুরবাসীদের প্রিয় সংগঠন চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া তাদের অফিশিয়াল থিম সংগীত প্রকাশ করেছে।
‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ শিরোনামের এই নতুন গানটি সংগঠনের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য সংগীতায়োজন।
গানটির লেখক, গীতিকার ও সুরকার হলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন ভূঁইয়া (লাভলু)। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও নিজ জেলার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি এই গানটি রচনা ও সুর করেছেন। গানটি তিনি নিজেই প্রযোজনা করেছেন।
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী অয়ন চাকলাদার। তিনি চলচ্চিত্র পরাণা–র সুপারহিট গান ‘চল নিরালায়’–এর জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মিষ্টি কণ্ঠের তরুণী গায়িকা ঈশিকা।
গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ মিউজিসিয়ান কাউছার খান।
গানের ভিডিও নির্মাণ, কালার গ্রেডিং ও এডিটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন মাসুম খান। পোস্টার ডিজাইন করেছে ইমন জিএফএক্স। গানটি প্রকাশিত হয়েছে এবি এন্টারটেইনমেন্টের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।
আরমান হোসেন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা গানের জগতে সক্রিয়। এ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গান লিখেছেন ও সুর করেছেন। তার লেখা ও সুরে গান গেয়েছেন—আগুন, অবন্তী সিঁথি, মাহতিম সাকিব, সজীব, তৃষা, রোজেন রহমান, মির্জা নিশাত, সাথী খান, সাগর, মোহাম্মাদ মিলন, শিমুল হাসান, গগন, মিলা, পড়শি, মৌমিতা, তৌসিফসহ আরও অনেক খ্যাতনামা শিল্পী। এ ছাড়াও, তার লেখা গান বিভিন্ন বাংলা নাটক ও চ্যানেলে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়েছে।
অমর একুশে বইমেলায় তার একাধিক কবিতার বই প্রকাশ হয়েছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করলেও বাংলা সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে হৃদয়ে লালন করে প্রবাসে থেকেও নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন গান ও সুর।
‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ গানটি তিনি চাঁদপুরবাসীসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সকল চাঁদপুরিয়ান এবং চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
এই গানটি প্রবাসে থেকেও নিজ জেলার প্রতি ভালোবাসা, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক সার্থক সংগীতায়োজন হিসেবে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত চাঁদপুরবাসীদের প্রিয় সংগঠন চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া তাদের অফিশিয়াল থিম সংগীত প্রকাশ করেছে।
‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ শিরোনামের এই নতুন গানটি সংগঠনের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য সংগীতায়োজন।
গানটির লেখক, গীতিকার ও সুরকার হলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন ভূঁইয়া (লাভলু)। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও নিজ জেলার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি এই গানটি রচনা ও সুর করেছেন। গানটি তিনি নিজেই প্রযোজনা করেছেন।
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী অয়ন চাকলাদার। তিনি চলচ্চিত্র পরাণা–র সুপারহিট গান ‘চল নিরালায়’–এর জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মিষ্টি কণ্ঠের তরুণী গায়িকা ঈশিকা।
গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ মিউজিসিয়ান কাউছার খান।
গানের ভিডিও নির্মাণ, কালার গ্রেডিং ও এডিটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন মাসুম খান। পোস্টার ডিজাইন করেছে ইমন জিএফএক্স। গানটি প্রকাশিত হয়েছে এবি এন্টারটেইনমেন্টের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।
আরমান হোসেন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা গানের জগতে সক্রিয়। এ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গান লিখেছেন ও সুর করেছেন। তার লেখা ও সুরে গান গেয়েছেন—আগুন, অবন্তী সিঁথি, মাহতিম সাকিব, সজীব, তৃষা, রোজেন রহমান, মির্জা নিশাত, সাথী খান, সাগর, মোহাম্মাদ মিলন, শিমুল হাসান, গগন, মিলা, পড়শি, মৌমিতা, তৌসিফসহ আরও অনেক খ্যাতনামা শিল্পী। এ ছাড়াও, তার লেখা গান বিভিন্ন বাংলা নাটক ও চ্যানেলে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়েছে।
অমর একুশে বইমেলায় তার একাধিক কবিতার বই প্রকাশ হয়েছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করলেও বাংলা সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে হৃদয়ে লালন করে প্রবাসে থেকেও নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন গান ও সুর।
‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ গানটি তিনি চাঁদপুরবাসীসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সকল চাঁদপুরিয়ান এবং চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
এই গানটি প্রবাসে থেকেও নিজ জেলার প্রতি ভালোবাসা, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক সার্থক সংগীতায়োজন হিসেবে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
আলোচনা পর্বে ভ্যানক্যুভারে বসবাসরত একজন মুক্তিযোদ্ধাসহ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শ্রদ্ধাভাজন সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
৪ দিন আগে