
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজের ৪০ বছর ও আর্টসেলের প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে যৌথ কনসার্ট।
২৬ অক্টোবর (শনিবার) কালজয়ী ও মনোমুগ্ধকর একের পর এক গানে ব্রুকবিলের টিলিস সেন্টারের মঞ্চ কাঁপিয়েছে ব্যান্ড দল দুটি।
দেশি মিউজিক অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট ও গ্যালাক্সি মিউজিক অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের আয়োজনে এবং ঠিকানার প্রযোজনায় ও রিভার্টেলের সৌজন্যে জনপ্রিয় দুটি ব্যান্ডের যৌথ এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। কনসার্টের সহযোগী আয়োজক হিসেবে ছিল সেভ দ্যা স্মাইল।
আর্টসেল ও ওফারফেজের হাজারও ভক্ত-অনুরাগীদের করতালি, কোরাসে মুখর হয়ে ওঠে বিশাল দর্শক ধারণক্ষমতার হলরুম।
নিউইয়র্কের বুকে দেশের জনপ্রিয় দুটি ব্র্যান্ডদলকে একসঙ্গে পেয়ে উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন আগত দর্শক-শ্রোতারা।
কনসার্ট শুরুর আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে শত শত মানুষ ভিড় জমাতে থাকেন টিলিস সেন্টার প্রাঙ্গনে।
আর্টসেল ও ওয়ারফেজের ভালোবাসায় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা উৎসুক দর্শক-শ্রোতারা কনসার্টের শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত বিপুল উৎসাহের সঙ্গে উপভোগ করেন। প্রতিটি গানের সঙ্গে প্রাণখুলে গলা মিলাতেও দেখা যায় তাদের।
অন্যদিকে দর্শকদের অভাবনীয় উপস্থিতি ও আন্তরিক ভালোবাসায় অভিভূত হন ওয়ারফেজ ও আর্টসেল ব্র্যান্ডের সদস্যরা। প্রবাসের মাটিতে দর্শকদের স্ববান্ধব উপস্থিতি ও উৎসাহকে অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করেন তারা। মূল্যবান সময় ব্যয় করে দূর দূরান্ত থেকে কনসার্ট উপভোগ করতে ছুটে এসে কনসার্টকে সাফল্যমণ্ডিত করায় দর্শক-শ্রোতাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন ব্যান্ডদুটির সদস্যরা।
উল্লেখ্য, ৪০ বছর পার করা ওয়ারফেজ যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৮৪ সালের ৬ জুন। অন্যদিকে আর্টসেল পার করেছে ২৫ বছর। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু হয় আর্টসেল ব্যান্ডের।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজের ৪০ বছর ও আর্টসেলের প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে যৌথ কনসার্ট।
২৬ অক্টোবর (শনিবার) কালজয়ী ও মনোমুগ্ধকর একের পর এক গানে ব্রুকবিলের টিলিস সেন্টারের মঞ্চ কাঁপিয়েছে ব্যান্ড দল দুটি।
দেশি মিউজিক অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট ও গ্যালাক্সি মিউজিক অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের আয়োজনে এবং ঠিকানার প্রযোজনায় ও রিভার্টেলের সৌজন্যে জনপ্রিয় দুটি ব্যান্ডের যৌথ এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। কনসার্টের সহযোগী আয়োজক হিসেবে ছিল সেভ দ্যা স্মাইল।
আর্টসেল ও ওফারফেজের হাজারও ভক্ত-অনুরাগীদের করতালি, কোরাসে মুখর হয়ে ওঠে বিশাল দর্শক ধারণক্ষমতার হলরুম।
নিউইয়র্কের বুকে দেশের জনপ্রিয় দুটি ব্র্যান্ডদলকে একসঙ্গে পেয়ে উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন আগত দর্শক-শ্রোতারা।
কনসার্ট শুরুর আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে শত শত মানুষ ভিড় জমাতে থাকেন টিলিস সেন্টার প্রাঙ্গনে।
আর্টসেল ও ওয়ারফেজের ভালোবাসায় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা উৎসুক দর্শক-শ্রোতারা কনসার্টের শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত বিপুল উৎসাহের সঙ্গে উপভোগ করেন। প্রতিটি গানের সঙ্গে প্রাণখুলে গলা মিলাতেও দেখা যায় তাদের।
অন্যদিকে দর্শকদের অভাবনীয় উপস্থিতি ও আন্তরিক ভালোবাসায় অভিভূত হন ওয়ারফেজ ও আর্টসেল ব্র্যান্ডের সদস্যরা। প্রবাসের মাটিতে দর্শকদের স্ববান্ধব উপস্থিতি ও উৎসাহকে অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করেন তারা। মূল্যবান সময় ব্যয় করে দূর দূরান্ত থেকে কনসার্ট উপভোগ করতে ছুটে এসে কনসার্টকে সাফল্যমণ্ডিত করায় দর্শক-শ্রোতাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন ব্যান্ডদুটির সদস্যরা।
উল্লেখ্য, ৪০ বছর পার করা ওয়ারফেজ যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৮৪ সালের ৬ জুন। অন্যদিকে আর্টসেল পার করেছে ২৫ বছর। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু হয় আর্টসেল ব্যান্ডের।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে