
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

বাঙালি ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ধারক বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম মাস, বাঙালি জীবনের আনন্দ বিভাস। বৈশাখ আসে নতুন আশার আলো নিয়ে। বাঙালির আবেগ দোল খায় নববর্ষ বরণে, বৈশাখের আগমনে।
কেবল দেশে নয়, এই উৎসব উদ্যাপনে পিছিয়ে নেই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। জীবিকার তাগিদে পরবাসে যেখানেই বাঙালির বসবাস, সেখানেই বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর-‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...।’

গতকাল শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বর্ণিল আয়োজন, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে পুরোনো বছরের জীর্ণতা, গ্লানি ও দুঃখকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সহস্র বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই দিনটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের উর্ধ্বে উঠে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়।

প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরতে কনস্যুলেটের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও মেলা আয়োজন করা হয়, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

স্থানীয় সময় বিকেল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান শেষ হয় রাত ১০টায়। মেলা উদ্বোধন করেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সাইয়েদা নাহিদা হাবীবা।

বৈশাখী উৎসবে কনস্যুলেট জেনারেলের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি শাখার ছাত্র-ছাত্রী, পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক, শিক্ষক–শিক্ষিকাবৃন্দ, বাংলাদেশি কমিউনিটি ও ফোরামের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী, ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উৎসবমুখর আমেজে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ প্রবাসীরাও। সৌদি আরবে প্রবাসীদের এই মিলনমেলা হয়ে উঠেছিল যেন প্রবাসে এক টুকরো স্বদেশ, প্রিয় বাংলাদেশ।

মেলায় ছিল কনস্যুলেট, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের পক্ষ থেকে একটি করে খাবার স্টল। হরেক রকমের পিঠা-পুলি, কাচা আমের ভর্তা, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ধরনের হালিম, ফালুদা, লাচ্ছি, মিষ্টান্ন, ঝাল মুড়িসহ স্বদেশী আমেজে ভরপুর ছিল স্টলগুলো।

কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে, মেলায় উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। প্রবাসে সুস্থ বিনোদন, সুন্দর জীবন ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সীমাবদ্ধতার মাঝেও বৈশাখী উৎসব স্বার্থক করার জন্যে জেদ্দার দুটি স্কুলের পরিচালনা পর্ষদসহ সামাজিক-রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া প্রতিনিধিগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

বৈশাখকে বরণ করতে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী এবং জেদ্দার সাংস্কৃতিক অঙনের শিল্পীরা পরিবেশন করে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অত্যন্ত প্রাজ্ঞতার সাথে তারা একটি সুস্থ বিনোদনমূলক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেন। ছিল একক ও সমবেত কণ্ঠের পরিবেশনায় থাকা গানগুলো আবহমান বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে নতুন প্রজন্মের মেলবন্দন রচনা করেছে।

জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল প্রাঙ্গণ এই উৎসবের সময় লাল-সবুজের মেলায় পরিণত হয়, যা সুদূর পরবাসে একখন্ড বাংলাদেশে রূপ নেয়। অনুষ্ঠান স্থলজুড়ে ছিল আকর্ষণীয় বৈশাখী সাজসজ্জা ও মনোরম ফটো কর্ণার। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে বরণ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

মেলায় অংশগ্রহণকারীরা প্রবাসে থেকেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ ও নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ আয়োজনকে স্বাগত জানায়। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এই কামনাই ছিল সবার কণ্ঠে।

মেলায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী এবং জেদ্দার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পীদের মাঝে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

বাঙালি ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ধারক বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম মাস, বাঙালি জীবনের আনন্দ বিভাস। বৈশাখ আসে নতুন আশার আলো নিয়ে। বাঙালির আবেগ দোল খায় নববর্ষ বরণে, বৈশাখের আগমনে।
কেবল দেশে নয়, এই উৎসব উদ্যাপনে পিছিয়ে নেই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। জীবিকার তাগিদে পরবাসে যেখানেই বাঙালির বসবাস, সেখানেই বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর-‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...।’

গতকাল শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বর্ণিল আয়োজন, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে পুরোনো বছরের জীর্ণতা, গ্লানি ও দুঃখকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সহস্র বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই দিনটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের উর্ধ্বে উঠে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়।

প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরতে কনস্যুলেটের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও মেলা আয়োজন করা হয়, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

স্থানীয় সময় বিকেল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান শেষ হয় রাত ১০টায়। মেলা উদ্বোধন করেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সাইয়েদা নাহিদা হাবীবা।

বৈশাখী উৎসবে কনস্যুলেট জেনারেলের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি শাখার ছাত্র-ছাত্রী, পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক, শিক্ষক–শিক্ষিকাবৃন্দ, বাংলাদেশি কমিউনিটি ও ফোরামের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী, ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উৎসবমুখর আমেজে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ প্রবাসীরাও। সৌদি আরবে প্রবাসীদের এই মিলনমেলা হয়ে উঠেছিল যেন প্রবাসে এক টুকরো স্বদেশ, প্রিয় বাংলাদেশ।

মেলায় ছিল কনস্যুলেট, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের পক্ষ থেকে একটি করে খাবার স্টল। হরেক রকমের পিঠা-পুলি, কাচা আমের ভর্তা, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ধরনের হালিম, ফালুদা, লাচ্ছি, মিষ্টান্ন, ঝাল মুড়িসহ স্বদেশী আমেজে ভরপুর ছিল স্টলগুলো।

কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে, মেলায় উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। প্রবাসে সুস্থ বিনোদন, সুন্দর জীবন ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সীমাবদ্ধতার মাঝেও বৈশাখী উৎসব স্বার্থক করার জন্যে জেদ্দার দুটি স্কুলের পরিচালনা পর্ষদসহ সামাজিক-রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া প্রতিনিধিগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

বৈশাখকে বরণ করতে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী এবং জেদ্দার সাংস্কৃতিক অঙনের শিল্পীরা পরিবেশন করে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অত্যন্ত প্রাজ্ঞতার সাথে তারা একটি সুস্থ বিনোদনমূলক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেন। ছিল একক ও সমবেত কণ্ঠের পরিবেশনায় থাকা গানগুলো আবহমান বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে নতুন প্রজন্মের মেলবন্দন রচনা করেছে।

জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল প্রাঙ্গণ এই উৎসবের সময় লাল-সবুজের মেলায় পরিণত হয়, যা সুদূর পরবাসে একখন্ড বাংলাদেশে রূপ নেয়। অনুষ্ঠান স্থলজুড়ে ছিল আকর্ষণীয় বৈশাখী সাজসজ্জা ও মনোরম ফটো কর্ণার। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে বরণ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

মেলায় অংশগ্রহণকারীরা প্রবাসে থেকেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ ও নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ আয়োজনকে স্বাগত জানায়। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এই কামনাই ছিল সবার কণ্ঠে।

মেলায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রী এবং জেদ্দার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পীদের মাঝে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে