
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির পশ্চিমাঞ্চলের উপশহর মদিনা জায়েদ (বিদা জায়েদ) সিটির নতুন সানাইয়াতে যাত্রা শুরু করেছে জয়নাব বিল্ডিং মেটেরিয়ালস কোম্পানি এলএলসির দ্বিতীয় শাখা। বাংলাদেশি মালিকানাধীন জাফর স্টিল গ্রুপ অব কোম্পানির এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যালসহ আধুনিক ভবন তৈরির যাবতীয় উপকরণের বিপুল সমাহার।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ফিতা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাফর আহমদ সিআইপি।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নাগরিক আবদুল্লাহ আল ফিন্দী আল কুবাইসি ও আবদুল্লাহ আল কাতেরী।

এ ছাড়াও, উদ্বোধনকালে কোম্পানির পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাবেদ, মোহাম্মদ জাহেদ ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আবুধাবি শাখার নেতা মোহাম্মদ জাবেদ, কোম্পানির সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ আলমগীরসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাফর আহমেদ বলেন, তার কোম্পানিতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও ভিসা বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আমিরাতের শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, আবুধাবির শিল্পনগরী মোছাফফা ও আল ফায়াতে মোহাম্মদ জাফর স্টিল গ্রুপ অব কোম্পানির একাধিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ২০০ কর্মী। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির পশ্চিমাঞ্চলের উপশহর মদিনা জায়েদ (বিদা জায়েদ) সিটির নতুন সানাইয়াতে যাত্রা শুরু করেছে জয়নাব বিল্ডিং মেটেরিয়ালস কোম্পানি এলএলসির দ্বিতীয় শাখা। বাংলাদেশি মালিকানাধীন জাফর স্টিল গ্রুপ অব কোম্পানির এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যালসহ আধুনিক ভবন তৈরির যাবতীয় উপকরণের বিপুল সমাহার।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ফিতা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাফর আহমদ সিআইপি।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নাগরিক আবদুল্লাহ আল ফিন্দী আল কুবাইসি ও আবদুল্লাহ আল কাতেরী।

এ ছাড়াও, উদ্বোধনকালে কোম্পানির পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাবেদ, মোহাম্মদ জাহেদ ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আবুধাবি শাখার নেতা মোহাম্মদ জাবেদ, কোম্পানির সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ আলমগীরসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জাফর আহমেদ বলেন, তার কোম্পানিতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও ভিসা বন্ধ থাকায় চাহিদা মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজে লাগাতে পারছেন না। তিনি আমিরাতের শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, আবুধাবির শিল্পনগরী মোছাফফা ও আল ফায়াতে মোহাম্মদ জাফর স্টিল গ্রুপ অব কোম্পানির একাধিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ২০০ কর্মী। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে