
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল–আহমাদ আল–সাবাহ কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে একটি লিখিত চিঠি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও দূত হুমায়ুন কবির এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এমদাদুল হক মিলন কুয়েত সফরকালে এই চিঠিটি তার কাছে হস্তান্তর করেন।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দুই দেশের প্রতিনিধিরা কুয়েত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।
বিভিন্ন খাতে কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে কথা বলেন।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে তারা মতামত বিনিময় করেন।
দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই আলোচনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখবে।

কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল–আহমাদ আল–সাবাহ কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে একটি লিখিত চিঠি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও দূত হুমায়ুন কবির এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এমদাদুল হক মিলন কুয়েত সফরকালে এই চিঠিটি তার কাছে হস্তান্তর করেন।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দুই দেশের প্রতিনিধিরা কুয়েত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।
বিভিন্ন খাতে কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে কথা বলেন।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে তারা মতামত বিনিময় করেন।
দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই আলোচনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখবে।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।