
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে।
দূতাবাস ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, আবুধাবিস্থ জনতা ব্যাংক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুলের প্রতিনিধি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের বিধিবিধান অনুসরণ করে দূতাবাস এবারে সীমিত কর্মসূচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
দিনের শুরুতে সকলের উপস্থিতিতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সূচনা করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ এবং নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের আরও সমৃদ্ধি, শান্তি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে।
দূতাবাস ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, আবুধাবিস্থ জনতা ব্যাংক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুলের প্রতিনিধি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের বিধিবিধান অনুসরণ করে দূতাবাস এবারে সীমিত কর্মসূচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
দিনের শুরুতে সকলের উপস্থিতিতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সূচনা করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ এবং নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের আরও সমৃদ্ধি, শান্তি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।