
সাবির মাহমুদ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফাগুন হাওয়া ফেস্ট ২০২৫’-এর দশম বর্ষপূর্তির জমকালো সংস্করণ। বর্ণাঢ্য এ উৎসবে রং, সুর, আলোর ঝলকানিতে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মন।
গত রোববার (২৫ মে) সিডনির মিন্টো ইনডোর স্টেডিয়ামে এই উৎসব আয়োজন করা হয়। এবারের উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছিলেন কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। তাঁর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা, আবেগঘন কণ্ঠ আর স্বতঃস্ফূর্ত মঞ্চ আচরণে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন সিডনির বাংলাভাষী দর্শক–শ্রোতা।

এ উৎসব ঘিরে নায়িকা অপু বিশ্বাসকে নিয়ে ছিল আলাদা উত্তেজনা। সবকিছু চূড়ান্ত এবং ভিসা পেয়েও শেষ মুহূর্তে ব্যক্তিগত কিছু কারণে তিনি সিডনিতে আসতে পারেননি।
তবে অপুর অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে একাই আলো ছড়ান কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। তাঁর গান, কণ্ঠের ছন্দ আর মঞ্চ দখলের স্বাভাবিক প্রতিভায় উৎসবপ্রেমী সিডনিবাসী ডুবে গিয়েছিলেন এক অনন্য আবেশে। উৎসবের প্রাণ হয়ে ওঠেন তিনি। নকুল কুমার বিশ্বাসের পরিবেশনা ছিল প্রাণবন্ত, আবেগঘন এবং একই সঙ্গে নস্টালজিক, যেন বাংলাদেশ থেকে সংগীতের একটুকরা আবহ নিয়ে এসেছিলেন মঞ্চে। তিনি দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেন।

উৎসবে আরও ছিল শিশু–কিশোরদের নৃত্য, কবিতা, ফ্যাশন শো, রঙিন স্টল আর মুখরোচক দেশীয় খাবারের সুবাস।
শিশুদের সংগঠন ‘কিশলয় কচিকাঁচার শিল্পীরা পরিবেশন করে গান। দলটির পরিচালনায় ছিলেন রোকসানা বেগম। একক সংগীত পরিবেশন করে খুদে শিল্পী শায়ান ইসার জামান।
এরপর একে একে মঞ্চে আসেন সিডনিপ্রবাসী শিল্পীরা। গান পরিবেশন করেন মোস্তাফিজুর খান রানা, মামুন ভূঁইয়া, ইমরান হোসেন এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক দল ‘চারু’র শিল্পীরা। এই দলে ছিলেন আয়েশা কলি, নামিদ ফারহান, সালাউদ্দিন শিপলু, লিন্টাস প্যারাডা, তাপস কর ও সুহৃদ সোহান হক।

কবিতা আবৃত্তি করেন মুনা মুস্তফা। পরিবেশিত হয় নেপালি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। একক নৃত্যে মাতিয়ে তোলেন আদৃতা আকাশ, আর যুগল নৃত্যে অংশ নেন ঋতশ্রী ও পলাশ বিশ্বাস।
দশম বর্ষপূর্তির বিশেষ আয়োজনে অতিথিদের স্বাগত জানান হেমা রেজওয়ান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ফাগুন হাওয়া ইনকের সভাপতি তিশা তানিয়া, সাজেদা আক্তারে সানজিদা ও নাজমুল হক।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মার্ক কুরি এমপি, ডেভিড মনক্রীফ এমপি, ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র ডার্সি লাউন্ড, ডেপুটি মেয়র ক্যারেন হান্ট, কাউন্সিলর মাসুদ খলিল ও কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ।
অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকদের (স্পন্সর) ও আয়োজকদের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ফাগুন হাওয়ার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় প্রবীণ কমিউনিটি নেতা গামা আব্দুল কাদিরকে এবং বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় লরেন্স ব্যারেলকে, যিনি ফাগুন হাওয়ার মূল পরিচিতি লোগোটি ডিজাইন করেছেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল দুটি পোশাক প্রদর্শনী। কাস্ট ক্রিয়েশন বুটিকসের পোশাকে একটি ফ্যাশন প্রদর্শনী পরিচালনা করেন সাজেদা আফরোজ জেনি। সাজসজ্জা ও নৃত্য পরিকল্পনা (নৃত্য নির্দেশনা) করেন ঋতশ্রী বিশ্বাস। এতে অংশগ্রহণ করে রিট্জ রানওয়ে দল। ঢাকা পাঞ্জাবির আয়োজনে আরেকটি আকর্ষণীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন মোস্তাকিম মোর্শেদ। নৃত্য নির্দেশনায় ছিলেন রিফাত আনিকা।

ক্র্যাটোস সাসটেইনেবিলিটির সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয় রঙিন বেলুন র্যাফেল ড্র। এর মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সংগীত পরিবেশনায় দর্শকদের হৃদয় জয় করেন লামিয়া ইসলাম অনন্যা। তাঁর পরিবেশিত আধুনিক বাংলা ও লোকগান গান ছিল দর্শকপ্রিয় একটি অংশ।

এ ছাড়া, উৎসব প্রাঙ্গণের ভেতরে নানা রকম দেশীয় পোশাক ও জুয়েলারি স্টল যেমন ছিল তেমনি নানা মুখরোচক খাবারের স্টল ছিল হলে বাইরের অংশে।
রঙিন এই অনুষ্ঠানের শব্দ ও আলোক নিয়ন্ত্রণে ছিলেন সঞ্জয় টাবু ও ফটোগ্রাফার হিসেবে ছিলেন কে দে আকাশ ও পাল তাপস।

ফাগুন হাওয়ার ১০ বছর পূর্তি শুধুই একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়—এটি ছিল প্রবাসে থেকেও মাটির টান ও শেকড়কে আঁকড়ে ধরে রাখার এক অনন্য প্রয়াস। আয়োজক সংস্থা ফাগুন হাওয়া ইনক এবং তাদের নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টায় প্রমাণ হয়েছে—বাংলাদেশি সংস্কৃতি দূর পরবাসেও প্রাণের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফাগুন হাওয়া ফেস্ট ২০২৫’-এর দশম বর্ষপূর্তির জমকালো সংস্করণ। বর্ণাঢ্য এ উৎসবে রং, সুর, আলোর ঝলকানিতে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মন।
গত রোববার (২৫ মে) সিডনির মিন্টো ইনডোর স্টেডিয়ামে এই উৎসব আয়োজন করা হয়। এবারের উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছিলেন কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। তাঁর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা, আবেগঘন কণ্ঠ আর স্বতঃস্ফূর্ত মঞ্চ আচরণে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন সিডনির বাংলাভাষী দর্শক–শ্রোতা।

এ উৎসব ঘিরে নায়িকা অপু বিশ্বাসকে নিয়ে ছিল আলাদা উত্তেজনা। সবকিছু চূড়ান্ত এবং ভিসা পেয়েও শেষ মুহূর্তে ব্যক্তিগত কিছু কারণে তিনি সিডনিতে আসতে পারেননি।
তবে অপুর অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে একাই আলো ছড়ান কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। তাঁর গান, কণ্ঠের ছন্দ আর মঞ্চ দখলের স্বাভাবিক প্রতিভায় উৎসবপ্রেমী সিডনিবাসী ডুবে গিয়েছিলেন এক অনন্য আবেশে। উৎসবের প্রাণ হয়ে ওঠেন তিনি। নকুল কুমার বিশ্বাসের পরিবেশনা ছিল প্রাণবন্ত, আবেগঘন এবং একই সঙ্গে নস্টালজিক, যেন বাংলাদেশ থেকে সংগীতের একটুকরা আবহ নিয়ে এসেছিলেন মঞ্চে। তিনি দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেন।

উৎসবে আরও ছিল শিশু–কিশোরদের নৃত্য, কবিতা, ফ্যাশন শো, রঙিন স্টল আর মুখরোচক দেশীয় খাবারের সুবাস।
শিশুদের সংগঠন ‘কিশলয় কচিকাঁচার শিল্পীরা পরিবেশন করে গান। দলটির পরিচালনায় ছিলেন রোকসানা বেগম। একক সংগীত পরিবেশন করে খুদে শিল্পী শায়ান ইসার জামান।
এরপর একে একে মঞ্চে আসেন সিডনিপ্রবাসী শিল্পীরা। গান পরিবেশন করেন মোস্তাফিজুর খান রানা, মামুন ভূঁইয়া, ইমরান হোসেন এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক দল ‘চারু’র শিল্পীরা। এই দলে ছিলেন আয়েশা কলি, নামিদ ফারহান, সালাউদ্দিন শিপলু, লিন্টাস প্যারাডা, তাপস কর ও সুহৃদ সোহান হক।

কবিতা আবৃত্তি করেন মুনা মুস্তফা। পরিবেশিত হয় নেপালি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। একক নৃত্যে মাতিয়ে তোলেন আদৃতা আকাশ, আর যুগল নৃত্যে অংশ নেন ঋতশ্রী ও পলাশ বিশ্বাস।
দশম বর্ষপূর্তির বিশেষ আয়োজনে অতিথিদের স্বাগত জানান হেমা রেজওয়ান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ফাগুন হাওয়া ইনকের সভাপতি তিশা তানিয়া, সাজেদা আক্তারে সানজিদা ও নাজমুল হক।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মার্ক কুরি এমপি, ডেভিড মনক্রীফ এমপি, ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র ডার্সি লাউন্ড, ডেপুটি মেয়র ক্যারেন হান্ট, কাউন্সিলর মাসুদ খলিল ও কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ।
অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকদের (স্পন্সর) ও আয়োজকদের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ফাগুন হাওয়ার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় প্রবীণ কমিউনিটি নেতা গামা আব্দুল কাদিরকে এবং বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় লরেন্স ব্যারেলকে, যিনি ফাগুন হাওয়ার মূল পরিচিতি লোগোটি ডিজাইন করেছেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল দুটি পোশাক প্রদর্শনী। কাস্ট ক্রিয়েশন বুটিকসের পোশাকে একটি ফ্যাশন প্রদর্শনী পরিচালনা করেন সাজেদা আফরোজ জেনি। সাজসজ্জা ও নৃত্য পরিকল্পনা (নৃত্য নির্দেশনা) করেন ঋতশ্রী বিশ্বাস। এতে অংশগ্রহণ করে রিট্জ রানওয়ে দল। ঢাকা পাঞ্জাবির আয়োজনে আরেকটি আকর্ষণীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন মোস্তাকিম মোর্শেদ। নৃত্য নির্দেশনায় ছিলেন রিফাত আনিকা।

ক্র্যাটোস সাসটেইনেবিলিটির সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয় রঙিন বেলুন র্যাফেল ড্র। এর মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সংগীত পরিবেশনায় দর্শকদের হৃদয় জয় করেন লামিয়া ইসলাম অনন্যা। তাঁর পরিবেশিত আধুনিক বাংলা ও লোকগান গান ছিল দর্শকপ্রিয় একটি অংশ।

এ ছাড়া, উৎসব প্রাঙ্গণের ভেতরে নানা রকম দেশীয় পোশাক ও জুয়েলারি স্টল যেমন ছিল তেমনি নানা মুখরোচক খাবারের স্টল ছিল হলে বাইরের অংশে।
রঙিন এই অনুষ্ঠানের শব্দ ও আলোক নিয়ন্ত্রণে ছিলেন সঞ্জয় টাবু ও ফটোগ্রাফার হিসেবে ছিলেন কে দে আকাশ ও পাল তাপস।

ফাগুন হাওয়ার ১০ বছর পূর্তি শুধুই একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়—এটি ছিল প্রবাসে থেকেও মাটির টান ও শেকড়কে আঁকড়ে ধরে রাখার এক অনন্য প্রয়াস। আয়োজক সংস্থা ফাগুন হাওয়া ইনক এবং তাদের নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টায় প্রমাণ হয়েছে—বাংলাদেশি সংস্কৃতি দূর পরবাসেও প্রাণের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে