
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের পতিত সরকার লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের অর্থনীতি যে সচল থাকল, তার কৃতিত্ব প্রবাসী বাংলাদেশিদের। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ কথা বলেছেন, এ সময় তিনি মূলধারার রাজনীতি ও অন্য কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ত হতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুন) ভার্জিনিয়ার হলিডে ইন হোটেলে বাংলাদেম জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ওয়াশিংটন ডিসি শাখা আয়োজিত ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়’ সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।
ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তৃব্যে উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের কৃতিত্ব একটু বেশি। কারণ, তারা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের নিপীড়ন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের চিত্র তুলে ধরেছিল। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশি-আমেরিকানদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা—আপনারা মূলধারার রাজনীতি ও অন্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তাহলে দেশের প্রতি আরও বড়ভাবে অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।”
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
উপদেষ্টা বলেন, দেশের চরম সংকটময় সময়ে জনগণ তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। রেখে গেছে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি। দেশের মানুষ আস্থা রেখেছেন তারেক রহমান তথা বিএনপির প্রতি।
এর একটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র আছে উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “আপনারা লক্ষ করে দেখবেন, ১৯৭৫ সালের পর একটি বিধ্বস্ত দেশ–অর্থনীতি, জনগণ যা মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ওপর। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর জনগণ ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার হাতে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া, সেই দায়িত্ব দক্ষতা-যোগ্যতা-সততার সঙ্গে পালন করেছিলেন।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “সেই ধারাবাহিকতায় লুটপাটে পঙ্গু করে দেওয়া অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব জনগণ ভোটের মাধ্যমে তুলে দিয়েছেন তারেক রহমানের হাতে। তার মানে, দেশের প্রতিটি সংকটময় সময়ে দেশের মানুষ আস্থা রেখেছে বিএনপির ওপর। জিয়া-খালেদার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও জন–আস্থার প্রতিদান দিতে কাজ শুরু করেছেন এবং প্রথম দিন থেকে যা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।”
বিএনপির ওয়াশিংটন ডিসি শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাহিদ খান, মিয়া মজনু, নয়ন বাঙালি প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে।

বাংলাদেশের পতিত সরকার লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের অর্থনীতি যে সচল থাকল, তার কৃতিত্ব প্রবাসী বাংলাদেশিদের। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ কথা বলেছেন, এ সময় তিনি মূলধারার রাজনীতি ও অন্য কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ত হতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুন) ভার্জিনিয়ার হলিডে ইন হোটেলে বাংলাদেম জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ওয়াশিংটন ডিসি শাখা আয়োজিত ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়’ সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।
ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তৃব্যে উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের কৃতিত্ব একটু বেশি। কারণ, তারা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের নিপীড়ন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের চিত্র তুলে ধরেছিল। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশি-আমেরিকানদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা—আপনারা মূলধারার রাজনীতি ও অন্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তাহলে দেশের প্রতি আরও বড়ভাবে অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।”
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
উপদেষ্টা বলেন, দেশের চরম সংকটময় সময়ে জনগণ তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। রেখে গেছে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি। দেশের মানুষ আস্থা রেখেছেন তারেক রহমান তথা বিএনপির প্রতি।
এর একটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র আছে উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “আপনারা লক্ষ করে দেখবেন, ১৯৭৫ সালের পর একটি বিধ্বস্ত দেশ–অর্থনীতি, জনগণ যা মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ওপর। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর জনগণ ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার হাতে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া, সেই দায়িত্ব দক্ষতা-যোগ্যতা-সততার সঙ্গে পালন করেছিলেন।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, “সেই ধারাবাহিকতায় লুটপাটে পঙ্গু করে দেওয়া অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব জনগণ ভোটের মাধ্যমে তুলে দিয়েছেন তারেক রহমানের হাতে। তার মানে, দেশের প্রতিটি সংকটময় সময়ে দেশের মানুষ আস্থা রেখেছে বিএনপির ওপর। জিয়া-খালেদার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও জন–আস্থার প্রতিদান দিতে কাজ শুরু করেছেন এবং প্রথম দিন থেকে যা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।”
বিএনপির ওয়াশিংটন ডিসি শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাহিদ খান, মিয়া মজনু, নয়ন বাঙালি প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।