

বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির শিকড় ও ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ১৬তম উত্তর আমেরিকা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন-২০২৬।
দুই দিনব্যাপী (২৪–২৫ জুলাই) এই আয়োজনের উদ্যোক্তা ইন্ডিয়ানাভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শিকড়।
সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ইন্ডিয়ানার নোবেলসভিলের নোবেলসভিল ফোর-এইচ মিলনায়তনে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী, সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেবেন।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে আরও সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালিয়ানার পরিচয় পৌঁছে দেওয়াই এই সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের দৌহিত্র অনিন্দিতা কাজী। এ ছাড়াও থাকবেন বাংলাদেশের সম্মানসূচক কনসাল জেনারেল, শিকাগোতে নিযুক্ত ভারতীয় কনসাল জেনারেল, উত্তর আমেরিকা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বিশিষ্ট বাঙালি ব্যক্তিত্ব।
সম্ভাব্য অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডক্টর আব্দুল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডক্টর জয়া বড়ুয়া, সমাজকর্মী ইকবাল হোসেন, লেখক ও কবি ডক্টর মুস্তাক আহম্মেদ, শিক্ষাবিদ ডক্টর শিরিন সিদ্দিকী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলমসহ আরও অনেকে।
সম্মেলনের প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হবে ২৪ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৪টায়। এদিন থাকবে আমন্ত্রিত কবি, লেখক ও সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে সাহিত্য আলোচনা, শিশুদের কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, পিঠা প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হবে ২৫ জুলাই শনিবার দুপুর ৩টায়। এদিন উদ্বোধনী আয়োজনের পর থাকবে অতিথি পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, অনিন্দিতা কাজীর বিশেষ পরিবেশনা, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত শিল্পীদের পরিবেশনা, পুরস্কার বিতরণী এবং সমাপনী সংগীতানুষ্ঠান।
দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানস্থলে থাকবে বইমেলা, আলোকচিত্র ও চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, বাঙালি পোশাক ও সাজসজ্জার প্রদর্শনী এবং ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের সমাহার। আয়োজকেরা আশা করছেন, এটি শুধু একটি সম্মেলন নয়, বরং উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিদের জন্য হবে এক বৃহৎ মিলনমেলা।
সম্মেলনের আহ্বায়ক আজাদ হোসেন বলেন, প্রবাসের মাটিতে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির আলোকে ধরে রাখার এই প্রচেষ্টা আমাদের সকলের। নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করতেই আমাদের এই আয়োজন।
যুগ্ম আহ্বায়ক দিলরুবা আমিন মিতা ও রঞ্জন রায় জানান, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগীত, শিল্প এবং প্রবাসী জীবনের অভিজ্ঞতাকে এক সুতোয় গেঁথে এবারের সম্মেলন সাজানো হয়েছে। তারা সকলকে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক চর্চায় উত্তর আমেরিকা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন দীর্ঘদিন ধরেই একটি মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এবারের ইন্ডিয়ানা সম্মেলনও সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির শিকড় ও ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ১৬তম উত্তর আমেরিকা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন-২০২৬।
দুই দিনব্যাপী (২৪–২৫ জুলাই) এই আয়োজনের উদ্যোক্তা ইন্ডিয়ানাভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শিকড়।
সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ইন্ডিয়ানার নোবেলসভিলের নোবেলসভিল ফোর-এইচ মিলনায়তনে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী, সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেবেন।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে আরও সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালিয়ানার পরিচয় পৌঁছে দেওয়াই এই সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের দৌহিত্র অনিন্দিতা কাজী। এ ছাড়াও থাকবেন বাংলাদেশের সম্মানসূচক কনসাল জেনারেল, শিকাগোতে নিযুক্ত ভারতীয় কনসাল জেনারেল, উত্তর আমেরিকা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বিশিষ্ট বাঙালি ব্যক্তিত্ব।
সম্ভাব্য অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডক্টর আব্দুল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডক্টর জয়া বড়ুয়া, সমাজকর্মী ইকবাল হোসেন, লেখক ও কবি ডক্টর মুস্তাক আহম্মেদ, শিক্ষাবিদ ডক্টর শিরিন সিদ্দিকী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলমসহ আরও অনেকে।
সম্মেলনের প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু হবে ২৪ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৪টায়। এদিন থাকবে আমন্ত্রিত কবি, লেখক ও সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে সাহিত্য আলোচনা, শিশুদের কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, পিঠা প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হবে ২৫ জুলাই শনিবার দুপুর ৩টায়। এদিন উদ্বোধনী আয়োজনের পর থাকবে অতিথি পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, অনিন্দিতা কাজীর বিশেষ পরিবেশনা, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত শিল্পীদের পরিবেশনা, পুরস্কার বিতরণী এবং সমাপনী সংগীতানুষ্ঠান।
দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানস্থলে থাকবে বইমেলা, আলোকচিত্র ও চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, বাঙালি পোশাক ও সাজসজ্জার প্রদর্শনী এবং ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের সমাহার। আয়োজকেরা আশা করছেন, এটি শুধু একটি সম্মেলন নয়, বরং উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিদের জন্য হবে এক বৃহৎ মিলনমেলা।
সম্মেলনের আহ্বায়ক আজাদ হোসেন বলেন, প্রবাসের মাটিতে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির আলোকে ধরে রাখার এই প্রচেষ্টা আমাদের সকলের। নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করতেই আমাদের এই আয়োজন।
যুগ্ম আহ্বায়ক দিলরুবা আমিন মিতা ও রঞ্জন রায় জানান, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগীত, শিল্প এবং প্রবাসী জীবনের অভিজ্ঞতাকে এক সুতোয় গেঁথে এবারের সম্মেলন সাজানো হয়েছে। তারা সকলকে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক চর্চায় উত্তর আমেরিকা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন দীর্ঘদিন ধরেই একটি মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এবারের ইন্ডিয়ানা সম্মেলনও সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে