
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশি ফ্যাশন ও ঐতিহ্যের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘জ্যোতি’ এবার অস্ট্রেলিয়ায় তাদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির ল্যাকেম্বার ১৩ দ্য বুলেভার্ডে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জ্যোতি অস্ট্রেলিয়ার পথচলা। বাংলাদেশি ফ্যাশনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন অস্ট্রেলিয়ার বহুসংস্কৃতিক সমাজ ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুল উপস্থিতি নতুন এ উদ্যোগকে আরও বর্ণময় করে তোলে।

বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু করা জ্যোতি বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড। শাড়ি, হ্যান্ডলুম, কারুকাজসমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং আধুনিক ট্রেন্ডের অনন্য সমন্বয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ খ্যাতি। বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির রয়েছে ১৪টি রিটেইল শোরুম ও ৩টি হোলসেল আড্ডা।

সিডনির নতুন শোরুমে রয়েছে শাড়ি, সালওয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি ও জুয়েলারিসহ ঐতিহ্যবাহী থেকে সমকালীন সব ধরনের পোশাকের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশি ফ্যাশন, রঙ ও শিল্পের সৌন্দর্য তুলে ধরতে জ্যোতি অস্ট্রেলিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।

জমকালো এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সম্মানিত অতিথিরা। উল্লেখযোগ্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্টেট মেম্বার ফর ওয়াটলি ও শ্যাডো মিনিস্টার মার্ক কুরে এমপি, প্রাক্তন অভিবাসন বহুসংস্কৃতি ও আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী ফিলিপ রুড্ডক এও, কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ, কাউন্সিলর শ্রীনি পিল্লামারী, অস্ট্রেলিয়া সরকারের এএসএইএন বিজনেস চ্যাম্পিয়ন ড, নুর রহমান, কাউন্সিলর, ওয়েন্ডি লিন্ডসে, কাউন্সিলর কার্ল সালেহ ওএএম, কাউন্সিলর শিরিন আক্তার, কাউন্সিলর হ্যারি স্টাভরিনস ও কাউন্সিলর এলিজা রহমান।

অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে উদ্বোধন, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালকদের বক্তব্য, বুটিক পরিদর্শন এবং লাইভ ফুড কর্নারসহ ছিল নানা আকর্ষণ।
জ্যোতির প্রতিষ্ঠাতা লোকমান হোসেন তার বক্তব্যে দীর্ঘ যাত্রার স্মৃতি তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়ায় নতুন অধ্যায়কে “স্বপ্ন পূরণ” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান তার বড় মেয়ে তাহমিনা দীতি, ভাগনি ডা. রুমানা আফরোজ এবং পুরো টিমের নিবেদিত পরিশ্রমের প্রতি, যাদের প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় জ্যোতির নতুন সূচনা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশি ফ্যাশন ও ঐতিহ্যের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘জ্যোতি’ এবার অস্ট্রেলিয়ায় তাদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির ল্যাকেম্বার ১৩ দ্য বুলেভার্ডে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জ্যোতি অস্ট্রেলিয়ার পথচলা। বাংলাদেশি ফ্যাশনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন অস্ট্রেলিয়ার বহুসংস্কৃতিক সমাজ ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুল উপস্থিতি নতুন এ উদ্যোগকে আরও বর্ণময় করে তোলে।

বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু করা জ্যোতি বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড। শাড়ি, হ্যান্ডলুম, কারুকাজসমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং আধুনিক ট্রেন্ডের অনন্য সমন্বয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ খ্যাতি। বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির রয়েছে ১৪টি রিটেইল শোরুম ও ৩টি হোলসেল আড্ডা।

সিডনির নতুন শোরুমে রয়েছে শাড়ি, সালওয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি ও জুয়েলারিসহ ঐতিহ্যবাহী থেকে সমকালীন সব ধরনের পোশাকের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশি ফ্যাশন, রঙ ও শিল্পের সৌন্দর্য তুলে ধরতে জ্যোতি অস্ট্রেলিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।

জমকালো এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সম্মানিত অতিথিরা। উল্লেখযোগ্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্টেট মেম্বার ফর ওয়াটলি ও শ্যাডো মিনিস্টার মার্ক কুরে এমপি, প্রাক্তন অভিবাসন বহুসংস্কৃতি ও আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী ফিলিপ রুড্ডক এও, কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ, কাউন্সিলর শ্রীনি পিল্লামারী, অস্ট্রেলিয়া সরকারের এএসএইএন বিজনেস চ্যাম্পিয়ন ড, নুর রহমান, কাউন্সিলর, ওয়েন্ডি লিন্ডসে, কাউন্সিলর কার্ল সালেহ ওএএম, কাউন্সিলর শিরিন আক্তার, কাউন্সিলর হ্যারি স্টাভরিনস ও কাউন্সিলর এলিজা রহমান।

অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে উদ্বোধন, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালকদের বক্তব্য, বুটিক পরিদর্শন এবং লাইভ ফুড কর্নারসহ ছিল নানা আকর্ষণ।
জ্যোতির প্রতিষ্ঠাতা লোকমান হোসেন তার বক্তব্যে দীর্ঘ যাত্রার স্মৃতি তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়ায় নতুন অধ্যায়কে “স্বপ্ন পূরণ” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান তার বড় মেয়ে তাহমিনা দীতি, ভাগনি ডা. রুমানা আফরোজ এবং পুরো টিমের নিবেদিত পরিশ্রমের প্রতি, যাদের প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় জ্যোতির নতুন সূচনা সম্ভব হয়েছে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে