
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বৈশাখী উৎসবে এবার প্রথম বারের মতো যোগ দেন মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, গাম্বিয়া, মলদোভা এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাষ্ট্রদূত ও তাদের পরিবারবর্গ। দিনব্যাপী এই আয়োজনে আমিরাতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংস্কৃতিমনা ও বিনোদনপ্রিয় হাজার হাজার প্রবাসী উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিল্প, সংগীত ও পাকশৈলীকে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক অতিথিদের সামনে তুলে ধরা হয়।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ও তাঁর সহধর্মিনী উম্মে রাম্মান।
মেলায় ছিল বাংলাদেশের পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশ স্কুলসহ বহু পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্টল। প্রদর্শনীতে ছিল উচ্ছ্বসিত প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, দূতাবাস ও কনসুলেটের কর্মকর্তা কর্মচারী, পেশাজীবি সংগঠন ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ইন্জিনিয়ার সালাউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সালাম তালুকদার, আবুল বশর, জাকির হোসেন খতিব, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ সারওয়ার ভুট্টো, প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আলী, প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম মমিন, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল ও নূর হোসেন সুমন প্রমুখসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী।

স্টলে ছিল ঐতিহ্যবাহী খাবার, পান্তা-ইলিশ, ফুচকা, জিলাপি, সেমাই ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন। এসব ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ প্রবাসীদের সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রবাসের মাটিতে নিজেদের একটি সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বৈশাখী উৎসবে এবার প্রথম বারের মতো যোগ দেন মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, গাম্বিয়া, মলদোভা এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাষ্ট্রদূত ও তাদের পরিবারবর্গ। দিনব্যাপী এই আয়োজনে আমিরাতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংস্কৃতিমনা ও বিনোদনপ্রিয় হাজার হাজার প্রবাসী উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিল্প, সংগীত ও পাকশৈলীকে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক অতিথিদের সামনে তুলে ধরা হয়।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ও তাঁর সহধর্মিনী উম্মে রাম্মান।
মেলায় ছিল বাংলাদেশের পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশ স্কুলসহ বহু পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্টল। প্রদর্শনীতে ছিল উচ্ছ্বসিত প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, দূতাবাস ও কনসুলেটের কর্মকর্তা কর্মচারী, পেশাজীবি সংগঠন ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ইন্জিনিয়ার সালাউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সালাম তালুকদার, আবুল বশর, জাকির হোসেন খতিব, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ সারওয়ার ভুট্টো, প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আলী, প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম মমিন, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল ও নূর হোসেন সুমন প্রমুখসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী।

স্টলে ছিল ঐতিহ্যবাহী খাবার, পান্তা-ইলিশ, ফুচকা, জিলাপি, সেমাই ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন। এসব ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ প্রবাসীদের সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রবাসের মাটিতে নিজেদের একটি সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।