
নাঈম হাসান, লন্ডন, যুক্তরাজ্য থেকে

বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশি তরুণদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্মে নিয়ে এসে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে কাজ করছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট (CBRYD)।
গত শনিবার (৯ আগস্ট) লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিপলস প্যালেস হলে সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্লোবাল ইউথ সামিট ২০২৫। এতে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশি তরুণ পেশাজীবী, গবেষক এবং তরুণ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।
সামিটে অংশ নিয়ে বৈশ্বিক বিজ্ঞানী, গবেষক ও বিভিন্ন পেশায় কর্মরত পেশাজীবীরা আগামীর বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে তাদের কর্ম অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। সুযোগ পেলে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের পেশাগত জীবনে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে বাংলদেশকে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্টের আহ্বায়ক ড. আলিয়ার হোসেন, সহ-আহ্বায়ক ড. মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য সচিব আবদুল্লাহ মাহমুদ সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটিতে বৈশ্বিক বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে অংশ নেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (হেমাটোলজি) অধ্যাপক ডেভিড রবার্টস, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রফেসর জোনাথন লিউ (এক্সিকিউটিভ ডিন, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্কুল), ড. মালাক হামদান আল-নাঈমি (একাডেমিক ওয়েস্ট লন্ডন ইউনিভার্সিটি, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরামর্শক), শাফকাত রাব্বি, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যাংকার), ড. মুবাশ্বার হাসান (গবেষক ও বিশ্লেষক, গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিদ্যা স্নাতক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সাইমুর মুজিব রহমান এবং এঙ্গলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংসদের ভিপি নাঈম হাসানসহ আরও অনেকে।

আহ্বায়ক ড. আলিয়ার হোসেন বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যত বাংলাদেশ কীভাবে গড়া যায়, কীভাবে উন্নয়ন প্রকল্পে তরুণদের যুক্ত করা যায়, সবুজ রাজনীতি এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলোতে তরুণদের কিভাবে যুক্ত করা যায় সে উদ্দেশ্যেই আমাদের এই সামিট। যাতে করে ভবিষ্যতে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে পারি।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য সচিব আবদুল্লাহ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সহযোগী থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হিসেবে ভূমিকা রাখতে চায় সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট। অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ু, যুব উন্নয়ন, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মতো বিষয়গুলো সামনে রেখে বৈশ্বিক বিভিন্ন পর্যায়ের দক্ষ অভিজ্ঞ পেশাজীবী ও তরুণদের মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই আমরা।

আয়োজকেরা মনে করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত তরুণদের মেধা ও উদ্যম বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (ইউএন এজেন্ডা ২০৩০) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট।
উল্লেখ্য, ‘একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশের জন্য বৈশ্বিক প্রতিভার সংযোজন’ স্লোগানে সংস্থাটি তরুণ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, গবেষক ও বৈশ্বিক বাংলাদেশি নেতৃত্বকে একত্র করছে। তরুণদের সংযুক্ত করে ধারাবাহিকভাবে এই ধরণের সামিটের মাধ্যমে নতুন ধারণা ও অভিজ্ঞতার বিনিময় সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান আয়োজকেরা।

বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশি তরুণদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্মে নিয়ে এসে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে কাজ করছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট (CBRYD)।
গত শনিবার (৯ আগস্ট) লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিপলস প্যালেস হলে সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্লোবাল ইউথ সামিট ২০২৫। এতে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশি তরুণ পেশাজীবী, গবেষক এবং তরুণ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।
সামিটে অংশ নিয়ে বৈশ্বিক বিজ্ঞানী, গবেষক ও বিভিন্ন পেশায় কর্মরত পেশাজীবীরা আগামীর বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে তাদের কর্ম অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। সুযোগ পেলে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের পেশাগত জীবনে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে বাংলদেশকে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্টের আহ্বায়ক ড. আলিয়ার হোসেন, সহ-আহ্বায়ক ড. মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য সচিব আবদুল্লাহ মাহমুদ সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটিতে বৈশ্বিক বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে অংশ নেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (হেমাটোলজি) অধ্যাপক ডেভিড রবার্টস, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রফেসর জোনাথন লিউ (এক্সিকিউটিভ ডিন, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্কুল), ড. মালাক হামদান আল-নাঈমি (একাডেমিক ওয়েস্ট লন্ডন ইউনিভার্সিটি, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরামর্শক), শাফকাত রাব্বি, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যাংকার), ড. মুবাশ্বার হাসান (গবেষক ও বিশ্লেষক, গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিদ্যা স্নাতক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সাইমুর মুজিব রহমান এবং এঙ্গলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংসদের ভিপি নাঈম হাসানসহ আরও অনেকে।

আহ্বায়ক ড. আলিয়ার হোসেন বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যত বাংলাদেশ কীভাবে গড়া যায়, কীভাবে উন্নয়ন প্রকল্পে তরুণদের যুক্ত করা যায়, সবুজ রাজনীতি এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলোতে তরুণদের কিভাবে যুক্ত করা যায় সে উদ্দেশ্যেই আমাদের এই সামিট। যাতে করে ভবিষ্যতে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে পারি।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য সচিব আবদুল্লাহ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সহযোগী থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হিসেবে ভূমিকা রাখতে চায় সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট। অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ু, যুব উন্নয়ন, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মতো বিষয়গুলো সামনে রেখে বৈশ্বিক বিভিন্ন পর্যায়ের দক্ষ অভিজ্ঞ পেশাজীবী ও তরুণদের মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই আমরা।

আয়োজকেরা মনে করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত তরুণদের মেধা ও উদ্যম বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (ইউএন এজেন্ডা ২০৩০) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেন্টার ফর বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড ইউথ ডেভেলপমেন্ট।
উল্লেখ্য, ‘একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশের জন্য বৈশ্বিক প্রতিভার সংযোজন’ স্লোগানে সংস্থাটি তরুণ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, গবেষক ও বৈশ্বিক বাংলাদেশি নেতৃত্বকে একত্র করছে। তরুণদের সংযুক্ত করে ধারাবাহিকভাবে এই ধরণের সামিটের মাধ্যমে নতুন ধারণা ও অভিজ্ঞতার বিনিময় সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান আয়োজকেরা।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে